1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
অযত্নে অবহেলায় বিলীন হচ্ছে রায়গঞ্জের আটঘরিয়া জমিদার বাড়ি
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

অযত্নে অবহেলায় বিলীন হচ্ছে রায়গঞ্জের আটঘরিয়া জমিদার বাড়ি

মোঃ ফরিদুল ইসলাম, রায়গঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯১ জন পড়েছেন



রায়গঞ্জ উপজেলা সদর হতে ৪ কিঃমিঃ দক্ষিণে রায়গঞ্জ বাজার। রায়গঞ্জ বাজার হতে ২কিঃমিঃ দক্ষিণ পূর্বে ৬নং ধানগড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ফুলজোড় নদীর কুল ঘেঁষে অবস্থান করছে আটঘরিয়া গ্রাম। এই গ্রামেই কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহি আটঘরিয়া জমিদার বাড়ি।


যতটুকু জানা যায় সপ্তদশ শতকে জমিদার উৎসব নারায়ণ চক্রবর্তী কর্তৃক এই ভবনটি নির্মিত হয়েছে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজুদ্দৌলার পতনের পর ব্রিটিশদের হাতে ভারতীয় উপমহাদেশের শাসন ভার চলে যাবার পর কালক্রমে চালু হয় জমিদারী প্রথা। জানা যায় উৎসব নারায়ণ চক্রবর্তীর পরবর্তী প্রজন্মের জমিদার হেম নারায়ন চক্রবর্তী, সত্য নারায়ণ চক্রবর্তী সহ আরো কয়েকজন জমিদার বংশ পরম্পরায় জমিদারি করেন।


বর্তমানে প্রায় ধ্বংস প্রাপ্ত এই বাড়িটিকে ঘিরেই প্রতিষ্ঠত ছিল তৎকালীন জমিদারদের জৌলুশ, ক্ষমতা আর আধিপত্য। বর্তমান যে ভবনটি কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এর আশেপাশে আরো কয়েকটি সুরম্য অট্টালিকা ছিল যে গুলি কালের বিবর্তমানে ধ্বংস হয়েছে (ধ্বংস করা হয়েছে)। বর্তমান দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটিতে রয়েছে একটি অন্ধকার কুটুরি। যেটিকে ঘিরে রয়েছে নানা অভিমত। কেউ বলেন, খাজনা দিতে অপারগ প্রজাদেরকে এখানে আটকিয়ে রেখে চালানো হতো শারীরিক মানসিক নির্যাতন। আবার কেউ বলেন, জমিদারদের সোনা দানা রাখার জন্য ব্যবহৃতহতো এই কুটুরি। ভবনটির উপরে রয়েছে একটি চিলে কোঠা। যেটি মূলত জমিদারদের বালা খানা হিসেবে পরিচিত ছিল। ভবনটির গা ঘেঁষেই পূর্ব পাশে রয়েছে একটি পুকুর। সেকালে যেটিতে ছিলো সান বাধানো ঘাট। তৎকালিন জমিদারদের আভিজাত্যের প্রতিক ছিল হাতি,ছিল অসংখ্য পাইক,পেয়াদা।


১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ রা ভারতীয় উপমহাদেশে ছেড়ে চলে গেলে জমিদারগণ পাড়ি জমান ভারতে। জমিদারদের দেশ ত্যাগের মধ্য দিয়েই জৌলুস আর আভিজাত্য হারাতে থাকে জমিদার বাড়িটি। জমিদারদের একজন পাইক ছিলেন ইব্রাহিম। জমিদারদের ত্যাগ করে যাওয়া সেই ভবনটিতে ইব্রাহিমই বসবাস করতে থাকে। আটঘরিয়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি এসারত আলী জানান, অত্র গ্রামের কয়েকজন কুচক্রী নিজের নামে জাল পত্তনি দেখিয়ে পুকুর সহ আশেপাশের খাস জমি গুলো ভোগ দখলের চেষ্টা করছে।


আটঘরিয়া গ্রামে শত শত বছরপূর্ব থেকে এখনো রয়েছে হিন্দু মুসলমানের সুদৃঢ় সহবস্থান। ঈদে পুজোয় এখনো আনন্দ ভাগাভাগি করে বংশ পরম্পরায় বসবাস করছে এ গ্রামর মানুষ। এ গ্রামের হিন্দু, মুসলমান সবারই দাবি, সরকার যদি সুদৃষ্টি দিয়ে কুচক্রী মহলের কুদৃষ্টি থেকে জমিদার বাড়ির সম্পত্তি গুলো উদ্ধার করে সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের অধীনে ভবনটি সংস্কার করতো তাহলে যুগের পর যুগ টিকে থাকতো ঐতিহ্য বাহী আটঘরিয়া জমিদার বাড়ি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড