1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
স্মৃতিবিজড়িত নাচোলের রানী ইলা মিত্রের ৯৭তম জন্মদিন
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

স্মৃতিবিজড়িত নাচোলের রানী ইলা মিত্রের ৯৭তম জন্মদিন

সেলিম রেজা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১১ জন পড়েছেন



চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা ইলা মিত্রের ৯৭তম জন্মদিন আগামীকাল সোমবার। ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা নগেন্দ্রনাথ সেন ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের বাংলার অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেল। তাদের আদিনিবাস ঝিনাইদহের বাগুটিয়া গ্রামে। বাবার চাকরির সুবাদে বেড়ে ওঠা কলকাতা শহরে।


ইলা মিত্রের শিক্ষাজীবন বেথুন স্কুল ও বেথুন কলেজে। বেথুন কলেজ হতে ১৯৪৪ সালে বিএ পাস করেন। খেলাধুলায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন তিনি। ১৯৩৫-৩৮ সালে রাজ্য জুনিয়র অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়ন এবং ১৯৪০ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকে প্রথম বাঙালি মেয়ে হিসেবে নির্বাচিত হন ইলা মিত্র। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে অলিম্পিক আসরটি বাতিল হয়ে যায়। ১৯৪৩ সালে হিন্দু কোড বিলের বিরুদ্ধে মহিলা সমিতির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুরহাটের জমিদার মহিমচন্দ্র মিত্রের ছোট ছেলে রমেন মিত্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পর স্বামীর নামের সঙ্গে মিল রেখে ইলা সেনের নামকরণ করা হয় ‘ইলা মিত্র’।


স্বামীর উৎসাহে ও সাহচার্যে বিপ্লবী এই নেতা নাচোলের তেভাগা আন্দোলনে যুক্ত হন ১৯৪৮ সালে। সেসময় তার নির্দেশে ফসলের এক-তৃতীয়াংশ এবং তিন আড়ির পরিবর্তে সাত আড়ি ফসল ভাগচাষিদের পাবার বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে তিনি সকলের কাছে ‘রানীমা’ হয়ে উঠেছিলেন। ১৯৫০ সালের ৫ জানুয়ারি নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের তীর্থভূমি চন্ডিপুর-কেন্দুয়ায় বিক্ষুব্ধ কৃষকদের হাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহত হলে আন্দোলনরতদের ওপর শুরু হয় পাশবিক অত্যাচার। ওই দিন পার্টিকে রিপোর্ট করতে ভারতে যান রমেন মিত্র। অন্যরাও অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে ভারতে চলে যান। কিন্তু ইলা মিত্র ১৯৫০ সালের ৭ জানুয়ারি রহনপুর রেলস্টেশনে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। নবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলে থাকা অবস্থায় অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হন ইলা মিত্র। ১৯৫৪ সালে চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গে চলে যান। সুস্থ হয়ে সেখানেই থেকে যান এবং ১৯৬২-১৯৭৮ সাল পর্যন্ত চারবার বিধান সভার সদস্য নির্বাচিত হন।


এরপর কয়েকবার ঢাকা এলেও তার স্মৃতিবিজড়িত নাচোলে আসেন ১৯৯৬ সালের ৬ নভেম্বর, তেভাগা আন্দোলনের ৫০ বছর পূর্তি উৎযাপন অনুষ্ঠানে। পরদিন যান তার শ্বশুরবাড়ি এলাকা অর্থাৎ রামচন্দ্রপুরহাটে। এ-সময় তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড