1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
পিতার লাশ পাহারা দেওয়া সেই শিশুর পরিবারকে ডিসির সহায়তা
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

পিতার লাশ পাহারা দেওয়া সেই শিশুর পরিবারকে ডিসির সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৯৬ জন পড়েছেন

সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নওগাঁর পোরশার মুজিবর রহমান নামে এক মৃত ব্যক্তির দেহের পাশে কান্নারত (৭) বছরের একটি মেয়ের ভিডিও সন্ধ্যার পর থেকেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকালে ভিডিওটি জেলা প্রশাসকের নজরে আসলে নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়াও একটি মুদি দোকান করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে।

মুজিবরের বাড়ি পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নে কলনীবাজার গ্রামে কলিমুদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফেরিওয়ালা ছিলেন। রিকসাভ্যানে করে মেলামাইন ও সিরামিক সামগ্রী জাতীয় জিনিসপত্র বিক্রি করতেন।

মুজিবুর রহমানের স্ত্রী তানজিলা আখতার জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ভুগছিলেন স্বামীর। এরপর স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক, পার্শ্ববর্তী একটি ক্লিনিক চিকিৎসা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তাতে তার শারীরিক উন্নতি না হওয়ায় পরবর্তীতে সোমবার সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে তাকে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

এরপর দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে ভর্তি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় বাবাকে হারিয়ে লাশের পাশেই বসে কান্না করছিল আমার ছোট মেয়েটি। সেই ভিডিও পাশের একজন মানুষ ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন।

জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ জানান, সকালে ভিডিওটি ফেসবুকে দেখার পর আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তার বাড়িতে খুঁজে বের করে পরিবারের খোঁজখবর নিতে বলি। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৃত মুজিবুর রহমানের বাড়ি খুঁজে বের করেন।

তিনি আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারে স্ত্রী ছোট দুটি কন্যা সন্তান এবং ১০ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। পরিবারটি অসহায় এবং আয়ের অন্য কোনো উৎস না থাকায় তাৎক্ষণিক মৃত ব্যক্তির স্ত্রী তানজিলার হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হামিদ রেজা নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। এ ছাড়াও একটি মুদি দোকান করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড