চিকিৎসকদের ‘কমিশন বাণিজ্য’
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
চিকিৎসকদের ‘কমিশন বাণিজ্য’
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

চিকিৎসকদের ‘কমিশন বাণিজ্য’

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৭২ জন পড়েছেন

সঙ্ঘবদ্ধ দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চিকিৎসকদের কমিশন বাণিজ্যের কারণে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের রোগী ধরার ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এ কারণে ৫০০ শয্যার এ হাসপাতালের করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত সিট ও কেবিন ব্যতীত অন্য সিট ও কেবিন খালি পড়ে থাকে। হাসপাতালে ২৫টি অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চালু রয়েছে মাত্র তিনটি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার থেকে ১৩-১৪শ রোগী ভিড় করেন। কিন্তু এখানে আগে থেকেই ওতপেতে থাকা দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। এক্ষেত্রে অনেক সময় চিকিৎসকরাও পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এজন্য তারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ‘টোকেন মানি’ নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসমৃদ্ধ এ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ। পিসিআর ল্যাবে করোনা টেস্ট ও চিকিৎসা ছাড়া নামমাত্র চলছে অন্যান্য চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। দুপুরের পর এ মেডিকেলের অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কোয়ার্টারে না থেকে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করেন। দুপুর না গড়াতেই তারা মেডিকেল কলেজ ত্যাগ করে বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা প্রাইভেট চেম্বারে বসে রোগী দেখেন। বিষয়টি অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ হলেও চিকিৎসকদের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

এছাড়া হাসপাতালে রয়েছে চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ তীব্র জনবল সংকট। টেকনিশিয়ন সংকটের কারণে ২৫টি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে তিনটি চালু রয়েছে। বাকি ২২ অপারেশন থিয়েটারের কোটি কোটি টাকার মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও সরাঞ্জামাধিসহ তালাবদ্ধ রয়েছে। এদিকে আধুনিক সুবিধাসমৃদ্ধ কোয়ার্টার প্রস্তুত থাকলেও অধিকাংশই এখনো ফাঁকা পড়ে আছে। জানা যায়, চিকিৎসা নিতে আসা অধিকাংশ রোগীই বহির্বিভাগের আশপাশে ওতপেতে থাকা দালাল চক্রের খপ্পরে পড়েন। গুনতে হয় ‘গলাকটা’ ফি।

এছাড়া সকাল থেকে টিকিট কেটে দাঁড়িয়ে থাকার সুযোগ পাওয়া রোগীদের দুপুর একটা পর্যন্ত দেখেই চিকিৎসকরা চেয়ার ছেড়ে হাওয়া হয়ে যান। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অধিকাংশ রোগীকেই দুপুর ১টায় বাধ্য হয়েই বেসরকারি মেডিকেল কলেজ কিংবা ক্লিনিকে যেতে হয়।

মেডিকেল কলেজের সহকারী পরিচালক ডা. অনুপম ভট্টাচার্য বলেন, চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ অন্য কর্মচারীদের শূন্যপদ পূরণ হলে সব ক্ষেত্রেই চিকিৎসার মান আরও বাড়ানো যাবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রশাসনিক পদসহ চিকিৎসকের ১১৬টি পদের মধ্যে মাত্র ৪৮ জন রয়েছেন। এরমধ্যেও প্রায় এক মাস ধরে পরিচালকের পদ এবং তিন মাস ধরে উপপরিচালকের পদ শূন্য রয়েছে। ৩৪২ জন নার্সের মধ্যে রয়েছেন ২১৪ জন। অপরদিকে ৪১৪টি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে রয়েছেন মাত্র ১৫৫ জন। সবমিলিয়ে ৭৫৯ জন জনবলের বিপরীতে মাত্র ৪৩০ জন কর্মরত আছেন।

সূত্রঃ যুগান্তর

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড