1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
জলাবদ্ধতা নিরসনে রাসিক’র নতুন পরিকল্পনা
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন

জলাবদ্ধতা নিরসনে রাসিক’র নতুন পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৭০ জন পড়েছেন

ভারি বর্ষণ হলেই রাজশাহী মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু এলাকায় হাঁটুপানি জমে। অল্প সময়ের মধ্যে সেই পানি নেমে গেলেও সাময়িক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয় নগরবাসীকে। আর এ সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে সমাধানে কর্মকৌশল নির্ধারণসহ স্থায়ী নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারি বর্ষণ হলেই মহানগরীর অন্তত ১৭টি পয়েন্টে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কলাবাগান, হেতেম খাঁ, ঝাউতলা, উপশহর, লক্ষ্মীপুর, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, কাদিরগঞ্জ, টিকাপাড়া, হড়গ্রামসহ বেশকিছু এলাকার রাস্তা হাঁটুপানিতে ডুবে যায়। এর ফলে সাময়িক দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন মহানগরবাসী। নানা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন পথচারীরাও।

হেতেম খাঁ এলাকার বাসিন্দা আমানুল্লাহ জানান, ভারি বর্ষণ হলেই ড্রেন উপচে রাস্তাগুলো দিয়ে সে াত চলে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ড্রেনের নোংরা পানি যোগ হয়। এ অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই।

টিকাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, বৃষ্টিপাত হলেই এখানকার রাস্তা ডুবে যায়। এর ফলে বসবাসকারীরা সমস্যার মধ্যে পড়েন। রাস্তা দিয়ে অনেক কষ্ট করে মানুষ চলাচল করেন। রিকশাচালকরা রাস্তা দিয়ে রিকশা চালাতে পারেন না। আমরা রাস্তার পাশের ড্রেন অবিলম্বে সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি। এ সম্পর্কে রাসিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো-মহানগরীতে জলাবদ্ধতা অন্যতম প্রধান কারণ কিছু মানুষের অসচেতনতা। এসব মানুষ নিজেদের নিত্যদিনের ময়লা ড্রেনে ফেলেন। ওই ময়লা ড্রেনে জমে পানি নিষ্কাশন হতে পারে না। বর্তমানে নতুন আরেকটা সমস্যা যোগ হয়েছে। মহানগরীজুড়ে বড় বড় ভবন তৈরি হচ্ছে। পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। অনেকেই পাইলিংয়ের মাটি ড্রেনে ফেলছেন। এই মাটি অনেকটা শক্ত ও জমাটবদ্ধ। যেখানে পড়ে সেখানে জমে থাকে।https://3c6e7a462e0d50dbaa5205cb811151b7.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-38/html/container.html

রাসিক সূত্র জানায়, মহানগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০ বছরব্যাপী মাস্টারপ্ল্যান ছিল। সেখানে সরকার তিন মেয়াদে অর্থ বরাদ্দ দেয়। প্রায় দেড়শ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যানের মেয়াদ ছিল ২০২০ পর্যন্ত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে গত বছর ও এ বছর ড্রেনের কাদামাটি উত্তোলনের কাজ হয়েছে। মধ্যে প্রায় ১০ বছর এ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ কারণে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনগুলো পরিষ্কারে গুরুত্ব দিয়েছে রাসিক। এরই মধ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নির্দেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী প্রাইমারি ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২৩ জুন সকালে মহানগরীর তেরখাদিয়ায় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের পাশে ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ করে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মেয়র।

রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু জানান, ভারি বর্ষণে মহানগরীর নিম্নাঞ্চলে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। মহানগরীর কলাবাগান এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এখান থেকে মেডিকেল কলেজের সামনে দিয়ে লক্ষ্মীপুর ঝাউতলা এলাকায় সমস্যা কিছুটা বেশি। সেখানে ড্রেনের কাদামাটি অপসারণসহ ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার কাজ চলছে। এর সুফল আগামী বছর থেকে পাওয়া যাবে।

সরিফুল ইসলাম আরও জানান, নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০ বছর মেয়াদের মাস্টারপ্ল্যানের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখন নতুন করে একটি প্রকল্প তৈরির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পরামর্শক নিয়োগসহ নগরীজুড়ে সার্ভে পরিচালনার কাজও শুরু হবে। নগরীকে জলাবদ্ধমুক্ত করতে প্রায় ৫০ ফুট চওড়া ড্রেন নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।

এ বিষয়ে রাসিক প্রধান প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, সিটিকে গ্রিন, ক্লিন ও জলাবদ্ধতামুক্ত করতে কাজ করছি। গত অর্থবছরে ৩ হাজার কোটি টাকা সরকার অনুমোদন দিয়েছে। এ টাকা দিয়ে রাস্তাঘাট, ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড