শাহবাগে উদ্ধার অচেতন যুবকের ঢামেকে মৃত্যু
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
শাহবাগে উদ্ধার অচেতন যুবকের ঢামেকে মৃত্যু
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

শাহবাগে উদ্ধার অচেতন যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ৬৭ জন পড়েছেন

রাজধানীর শাহবাগ দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অচেতন যুবকের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটেছে।

নিহত যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তার নাম আবুল হোসেন রনি (৩২)। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর স্টাফ আব্দুল মতিনের ছেলে তিনি।

রনি নিউমার্কেট থানাধীন ৩২৪ এলিফেন্ট রোডের স্টাফ কোয়ার্টারে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া যুগান্তরকে বলেন, মঙ্গলবার তিন পথচারী আবুল হোসেন রনিকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করান। ওই সময় রনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ছিলেন রনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে নয়টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাচ্চু মিয়া আরো জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।

এদিকে রনিকে ভর্তি করার পর থেকে তাকে নিয়ে পথচারীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের দেওয়া মোবাইল নাম্বারও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

অপরদিকে মঙ্গলবার রাতেই ঢামেকে এসে লাশ শনাক্ত করেছেন নিহতের বাবা আব্দুল মতিন।

তিনি বলেন, আমার ছেলে ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটে একটি মোবাইল সার্ভিসিং দোকানে চাকরি করত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বাহিরে যায় সে। রাতে হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে এসে ছেলে মৃতদেহ দেখতে পেলাম।

ছেলের আকস্মিক মৃত্যুর বিষয়ে আবদুল মতিন বলেন, শুনেছি শাহবাগ চত্বর এলাকা থেকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় পথচারীরা মেডিকেলে নিয়ে আসে তাকে। এরপর তারা পালিয়ে যায়।

আবদুল মতিনের দাবি, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মারা যায়নি তার ছেলে।

তিনি বলেন, আমার ছেলে শুধু মাথায় আঘাত পেয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা হলে শরীরে আরো আঘাতের চিহ্ন থাকত। কিন্ত তা নেই। এটা হত্যাকাণ্ড কি না পুলিশ তদন্ত করে বের করবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড