স্কুলছাত্রের পরিচয় এখন ভ্যানচালক
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
স্কুলছাত্রের পরিচয় এখন ভ্যানচালক
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

স্কুলছাত্রের পরিচয় এখন ভ্যানচালক

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
  • ৫৮ জন পড়েছেন

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মিরাজুল ইসলাম। প্রায় ১৫ মাস আগেও রোজ সকালে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যেত সে। কিন্তু এখন সকাল হলেই ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে পড়ে উপার্জনের আশায়। দিনশেষে যা উপার্জন করে তার কিছুটা নিজের কাছে রেখে বাকিটা মায়ের হাতে দেয়।

যে বয়সে তার পড়াশোনা, খেলাধুলায় মেতে থাকার কথা ঠিক সেই বয়সে বড়দের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আয় করছে ছোট্ট এই শিশুটি। করোনা মহামারির প্রভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পালটে গেলে মিরাজুলের পরিচয়!

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের কসাই আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিরাজুল ভুলে গেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম।

রোববার দুপুরে চাটমোহর পৌর শহরে থানা বাজার এলাকা দিয়ে ভ্যানে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় মুষলধারে বৃষ্টি দেখে একটি চা স্টলে দাঁড়ায় সে। সেখানে বসেই কথা হয় ভাদ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র থেকে ভ্যান চালক হওয়া মিরাজুলের সঙ্গে।

দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট মিরাজুল। অসচ্ছল পরিবারে বেড়ে ওঠা মিরাজুলের বাবা একটি কসাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। পাশাপাশি চালাতেন ভ্যান। করোনা মহামারিতে তাকে ছাঁটাই করা হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

সংসারে অভাব জেঁকে বসায় মিরাজুলের বড় ভাই মিনারুল রাজমিস্ত্রির কাজ বেছে নেয় আর মিরাজুল বাবার ভ্যান চালানো শুরু করে। গড়ে প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা উপার্জন করে ছোট্ট এই শিশুটি।

মিরাজুলকে একটি কবিতা বলার কথা বললে সে পারেনি। বইয়ের কোনো পড়ার কথা বললেও সে ভুলে গেছে বলে এই প্রতিবেদককে জানায়। একপর্যায়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে বৃষ্টির মধ্যেই যাত্রী নিয়ে চলে যায়।

শুধু মিরাজুলই নয়, করোনা মহামারির প্রভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পাবনার চাটমোহর পৌর শহর থেকে শুরু করে উপজেলার সর্বত্র ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা বেছে নিয়েছে আয়ের পথ। কেউ ভাটার শ্রমিক, কেউ দিনমজুরি আবার কেউ বা ভ্যান চালিয়ে উপার্জন করে সংসারের হাল ধরেছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড