1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
চাইনিজ রেস্টুরেন্টে নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

চাইনিজ রেস্টুরেন্টে নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ১০১ জন পড়েছেন

নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে ‘ইডেন থাই এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট’ এর নৈশ প্রহরী আতাউর রহমানকে (৫০) পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় রেস্টুরেন্টের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী সিআইডি ফরেনসিক বিভাগের একটি দল এসে ঘটনাস্থল তদন্ত শেষে তার মরদেহ উদ্ধার করে। 

নিহত আতাউর রহমান জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার চকমহিতুর গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে। ঘটনার পর থেকে সহকারী বাবুর্চি বাদল পলাতক রয়েছে। নৈশ প্রহরীর পাশাপাশি তিনি রেস্টুরেন্টে আসা ক্রেতাদের গাড়ি পাহারা দিতেন। 

পুলিশ ও রেস্টুরেন্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে নৈশ প্রহরী আতাউর রহমান ও সহকারী বাবুর্চি বাদল রাতে রেস্টুরেন্টের তৃতীয় তলায় ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে গিয়ে প্রধান বাবুর্চি সাইফুল ইসলাম রেস্টুরেন্টের ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পান। এরপর অনেক ডাকাডাকি করার পরও ঘরের দরজা না খোলায় এক পর্যায়ে দরজার বাহিরে চাবি পড়ে থাকতে দেখতে পান।

তিনি চাবি দিয়ে ঘর খুলে মেঝেতে রক্তমাখা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নৈশ প্রহরী আতাউর রহমান মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। হত্যার পর মৃতদেহটি কাঁথা-বালিশ দিয়ে ঢেঁকে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি দ্রুত রেস্টুরেন্টের কর্তৃপক্ষকে জানালে থানায় সংবাদ দেন। মরদেহের পাশে একটি চেয়ার ভাঙা অবস্থায় পড়েছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, চেয়ার দিয়ে আতাউর রহমানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল।

নিহত আতাউর রহমানের বড় ছেলে রতন হোসেন বলেন, শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল। আগামী কুরবানি ঈদে কুরবানি দেওয়ার জন্য প্রতিদিন ৩শ টাকা করে ১০ হাজার টাকা জমা করবেন বলে জানায়। এরপর আবারও রাত ৮টায় ফোন দিয়েছিল কিন্তু রিসিভ না করায় কথা হয়নি। পরদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রেস্টুরেন্ট থেকে ফোন করে জানানো হয় বাবাকে কারা যেন পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমার বাবা একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। তিনি সকলের সঙ্গে সব সময় হাসি মুখে কথা বলতেন। বাবার কোনো শত্রু নেই এবং কারো সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল না। বাবাকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

নিহত আতাউর রহমানের ফুফাতো ভাই উসমান গনি বলেন, ভাই রেস্টুরেন্টে প্রায় ২০ বছর থেকে চাকরি করছিলেন। শুনেছি ভাইয়ের কাছে কিছু টাকা ছিল। শনিবার রেস্টুরেন্টে একটি বিয়ে হবে এজন্য ব্যস্ত থাকবেন। পরদিন টাকাগুলো বাড়িতে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইডেন থাই এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক পক্ষের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নওগাঁ সদর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, নিহত আতাউর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমে চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক সহকারী বাবুর্চি বাদল পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের অভিযান চলছে। বাদলকে আটক করা সম্ভব হলে তার মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড