৩৩৩ নম্বরে ফোন দেয়া ‘৪তলা ভবনের মালিকে’র বাড়িতে ত্রাণ নিয়ে রাব্বানী
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
৩৩৩ নম্বরে ফোন দেয়া ‘৪তলা ভবনের মালিকে’র বাড়িতে ত্রাণ নিয়ে রাব্বানী
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:৫২ অপরাহ্ন

৩৩৩ নম্বরে ফোন দেয়া ‘৪তলা ভবনের মালিকে’র বাড়িতে ত্রাণ নিয়ে রাব্বানী

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
  • ৭৮ জন পড়েছেন

গোপনে ত্রাণ চেয়ে সামাজিক ও মানসিক ক্ষতির শিকার ৩৩৩ নম্বরে ফোন দেয়া ‘৪তলা ভবনের মালিক’ বৃদ্ধ ফরিদের বাড়িতে ত্রাণ দিয়ে গিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

বুধবার দুপুরে গোলাম রাব্বানী ‘টিম পজিটিভ বাংলাদেশ’ (টিপিবি) এর পক্ষ থেকে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভালোবাসার উপহার’ হিসেবে খাদ্য সহায়তা নিয়ে ফরিদ উদ্দিনের বাড়িতে যান।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০০ কেজি চাল, ৬০ কেজি আলু, ২৫ কেজি ডাল, ৪ কেজি তেল। পাশাপাশি এ সময় বৃদ্ধ ফরিদ আহমদ খানকে ৫ হাজার টাকাও প্রদান করা হয়।

গোলাম রাব্বানী জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর, দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকার ফরিদ চাচা, এই দুর্যোগকালীন সময়ে উপার্জনের মাধ্যম কারখানা বন্ধ থাকায় প্রতিবন্ধী ছেলে, কলেজ পড়ুয়া মেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় পরে গেলে, সরকারী খাদ্য সহায়তার প্রত্যাশায় ফোন করেন ৩৩৩ নাম্বারে। কিন্তু সদর ইউএনও ঠিকঠাক খোঁজ না নিয়েই, তাকে সচ্ছল ভেবে উল্টো জরিমানা করে বসেন। পরে চাচার প্রকৃত অবস্থা জেনে, প্রশাসন ক্ষতিপূরণের অর্থ ফেরত দিলেও, ৩৩৩ এর সে খাদ্য সহায়তা আর পায়নি তার পরিবার।

তিনি আরও জানান, আর এই দুর্যোগময় সময়ে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে প্রকৃত অসহায় কেউ যদি ৩৩৩ তে ফোন করে মাঠ প্রশাসনের দায়িত্ব অবহেলায় খাদ্য সহায়তা না পান, ‘টিম পজিটিভ বাংলাদেশ’ (টিপিবি) কে জানান। আমরা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করবো ইনশাল্লাহ।

উল্লেখ্য, অনেকটা অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়ে ৩৩৩ এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছিলেন সেই ‘কথিত ৪তলা বাড়ির মালিক’ ফরিদ উদ্দিনের (৫৭)। অনেকটা ‘নুন আনতে পান্তা’ ফুরানোর মত অবস্থায় দিন কাটানো ৩৩৩এ ‘ ত্রাণ চাওয়া ’ সেই ফরিদ উদ্দিনকেই দিতে হলো ১০০ দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী।

প্রশাসনের নির্দেশনা মতে ১০০ দরিদ্র মানুষকে খাদ্য সহায়তা করতে গিয়ে নিজের ও ভাইয়ের স্ত্রীদের স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখতে হয় তাকে। ঋণের এই টাকা পরিশোধ করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ছেলে আর নিজের চিকিৎসা খরচ কী করে যোগাড় হবে সেই চিন্তাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল বৃদ্ধ ফরিদ উদ্দিনকে।

আর তার জীবনে এই ঘোর অন্ধকার নামার নেপথ্যে ছিলেন ওই এলাকার স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলী। ৩৩৩ এ ফোন করে সাহায্য চাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন থেকে তদন্তে আসা ব্যক্তিদেরকে তিনিই প্রথম জানিয়েছিলেন, ফরিদ উদ্দিন ওই ৪তলা বাড়ির মালিক এবং একজন ব্যবসায়ী।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড