৩৩৩এ ফোন করে ত্রাণ চেয়ে জরিমানা, ৭ দিনের সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
৩৩৩এ ফোন করে ত্রাণ চেয়ে জরিমানা, ৭ দিনের সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

৩৩৩এ ফোন করে ত্রাণ চেয়ে জরিমানা, ৭ দিনের সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
  • ৬৫ জন পড়েছেন

৩৩৩এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়া নিয়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় গঠিত জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিতে সময় চেয়েছেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটি রিপোর্ট পেশ করতে আরও ৭ দিনের সময় চেয়েছে। বুধবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল তদন্ত কমিটির।

জানা গেছে, নগরীর দেওভোগ নাগবাড়ী এলাকার ফরিদ আহমদের খাদ্য সহায়তা চাওয়ার ঘটনায় প্রকৃত সত্য কী এবং কারো দায়িত্বে গাফিলতি ছিল কী না তা জানতে গত ২৩ মে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শামীম বেপারীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল জেলা প্রশাসন।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও সহকারী কমিশনার কামরুল হাসান মারুফ।

জেলা প্রশাসক জানান, তদন্ত কমিটিকে তিনদিনের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিটি আরও সাতদিনের সময় চেয়ে মেইল করেছে। সরকারি ছুটির দিন হওয়াতে বৃহস্পতিবার অফিসিয়ালি তাদের সময় দেওয়া হবে। তবে কতদিন সময় দেওয়া হবে তা সরাসরি কমিটির সঙ্গে কথা বলে বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, করোনার সময়ে সংকটে পরা অসুস্থ ফরিদ উদ্দিন অনেকটা নিরুপায় হয়েই জাতীয় কল সেন্টারের ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা চেয়েছিলেন। কিন্তু সহায়তা তো পাননি, উল্টো তিনি চারতলা ভবনের মালিক ও সচ্ছল ব্যক্তি, স্থানীয় ইউপি মেম্বারের এমন মিথ্যা তথ্যের কারণে জরিমানা গুণতে হয়েছে তাকে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরার নির্দেশে তাকে ১০০ জনের মাঝে চাল, আলু, ডাল, লবণ ইত্যাদি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করতে হয়েছে। নিজের স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর গয়না বন্ধক দিয়ে ও ধার-দেনা করে বিতরণের জন্য এসব খাদ্যসামগ্রী কিনেছেন বলেও জানান। এমনকি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলীর থেকেও ধার নিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা।

এ দিকে ফরিদ আহমদের করুণ অবস্থার কথা স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রচার হলে এ নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ফরিদ আহমদের পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় ইউপি সদস্য নয় ফরিদ আহমদের পরিবারকে ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেন শাহীনূর আলম নামে স্থানীয় এক ধনাঢ্য ব্যক্তি। তিনি ওই এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির উপদেষ্টা। প্রশাসনের অনুরোধে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এই টাকা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড