শক্তি আরও বাড়িয়ে ‘ইয়াস’ ভারতের উপকূলের কাছে
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
শক্তি আরও বাড়িয়ে ‘ইয়াস’ ভারতের উপকূলের কাছে
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

শক্তি আরও বাড়িয়ে ‘ইয়াস’ ভারতের উপকূলের কাছে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ৯৪ জন পড়েছেন

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আরও উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হয়েছে। শক্তি আরও বাড়িয়ে ভারতের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে এটি।

বুধবার দুপুরের দিকে উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে অতি প্রবল এ ঘূর্ণিঘঝড়। 

তবে আঘাত হানার আগে শুধু উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ১০ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপে ট্রেন-বিমান চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির গতিমুখ বাংলাদেশের দিকে না হলেও এর প্রভাব বলয়ে খুলনা উপকূল থাকছে বলে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০৫ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ দুপুরের দিকে উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ঝড়-বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। অনেক এলাকাতেই নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ কয়েক ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দুপুরে ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমের সময় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেলী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলায় ও এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারী ও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরের সব মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আবদুল হামিদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে যাচ্ছে। আমাদের থেকে দূরে। তবে এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ারের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকাল আটটার বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি কলকাতার দীঘার থেকে ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং উড়িষ্যার ধারমা থেকে ৪০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছে।

বুধবার দুপুরে ধারমার পশ্চিম উপকূল এবং বালাসোরের দক্ষিণ উপকূল অতিক্রম করার সময় তীব্র এই ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ থাকবে ১৩০ থেকে ১৪২০ কিলোমিটার।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড