সামান্য বাতাসেই উড়ে গেল সরকারি ঘর
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
সামান্য বাতাসেই উড়ে গেল সরকারি ঘর
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:০৭ অপরাহ্ন

সামান্য বাতাসেই উড়ে গেল সরকারি ঘর

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ৭১ জন পড়েছেন

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে হস্তান্তরের ৩ মাসের মাথায় সামান্য বাতাসেই উড়ে গেল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্পের দুটি ঘরের চাল। প্রথম দফায় নির্মিত ঘরের মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় সামান্য বাতাসে দুইটি ঘরের চাল উড়ে গেছে।

এসব ঘর নির্মাণে সিমেন্টের পরিমাণ কম দেয়া এবং কাজের মান খারাপ হওয়ায় এমন পরিস্থিতি হয়েছে বলে সুবিধাভোগীদের অভিযোগ।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ২ দফায় মোট ৪২০টি ঘরের বরাদ্দ আসে। এতে প্রথম কিস্তির প্রতিটি ঘরের ব্যয় ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা হারে ১২০টি ঘরের জন্য ২ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ২য় কিস্তির প্রতিটি ঘরের ব্যয় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা হারে ৩০০টি ঘরের জন্য ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকাসহ মোট ৭ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়।

সেই মোতাবেক ঘরগুলো নির্মাণের কাজ শুরু করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর। প্রথম কিস্তির ১২০টি ঘর গত ২৩ জানুয়ারি সুবিধাভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ পাওয়া ঘরগুলোর কাজ চলমান থাকলেও প্রথম দফায় নির্মিত ঘরের মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় সামান্য বাতাসে দুটি ঘরের চাল উড়ে গেছে।

সরেজমিন সোমবার সন্ধ্যায় খরখরিয়া তেলিপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ওই দিন সামান্য ঝড়োবাতাসে মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী সবেদা বেওয়া ও তার ছেলে সফিকুল ইসলাম দুজনের দুটি ঘরের বারান্দার খুঁটি ভেঙে চাল উড়ে গেছে।

এ সময় সবেদা বেওয়া বলেন, অল্পের জন্য বেঁচে গেছি বাবা, হামার এই ঘরের দরকার নাই, নিয়ে যাও তোমার ঘর।

সফিকুল ইসলামের স্ত্রী লতিফা বেগম, মল্লিকা বেগম ও আ. মতিনসহ ভুক্তভোগীরা বলেন, ঘরের নিচে পড়ে যদি মরতে হয় তাহলে আমাদের এ ঘরের দরকার নাই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ ঘরে থাকা যাবে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কোহিনুর রহমান জানান, এক জায়গায় একটু সমস্যা হয়েছিল। লোক পাঠিয়ে ঠিক করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমি সদ্য যোগদান করেছি। আজই প্রথম অফিস করলাম। বিষয়টি আমার কর্ণগোচর হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড