বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে শ্রমিকের মৃত্যু
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে শ্রমিকের মৃত্যু
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে শ্রমিকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
  • ৭৫ জন পড়েছেন

বগুড়ার বিষাক্ত মদপানে আদম আলী পেস্তা (৩০) নামে এক জুয়েলারি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার রাতে বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

জুয়েলারি শ্রমিক আদম আলী পেস্তা বগুড়া সদরের ধরমপুর মসজিদপাড়ার মৃত ইউনুস মেম্বরের ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, পেস্তা মাঝে মাঝে মদপান করতেন। শনিবার রাতে মদপান করে বাড়ি ফেরেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা গোপনে বাড়িতে চিকিৎসা দিতে থাকেন।

রোববার সন্ধ্যার দিকে বেশি অসুস্থ হলে তাকে গোকুল এলাকায় বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।

ওই হাসপাতালের মুখপাত্র আবদুর রহিম রুবেল জানান, ওই ব্যক্তি অ্যালকোহল পানে অসুস্থ হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তির আগে পরিবারের সদস্যরাও তাই জানিয়েছেন।

সদর থানার সেকেন্ড অফিসার মঞ্জুরুল হক ভুঞা জানান, জুয়েলারি শ্রমিক পেস্তা মাঝে মাঝে মদপান করতেন। এ ছাড়া তিনি কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

রোববার সকালে নুডুলস খাবার পর থেকে প্রচণ্ড পেটব্যথা শুরু হয়। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, তিনি বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হতে মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত জানুয়ারি শেষে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে এ জেলায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ব্যাপারে একাধিক মামলা হয়। পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার ও কয়েকটি হোমিও ল্যাবরেটরি বন্ধ করে দেয়। বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল জব্দ করে ধ্বংস করেছিল। এর পরও এ জেলায় বিষাক্ত অ্যালকোহল বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড