1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
৮ দিনেই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, চার্জশিট
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

৮ দিনেই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, চার্জশিট

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৮০ জন পড়েছেন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ক্লুলেস একটি হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৮ দিনের মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন, ঘাতককে গ্রেফতার ও মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশে এত স্বল্পতম সময়ের মধ্যে কোনো ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের ঘটনা বিরল বলে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ চার্জশিট প্রদানের কথা জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, নিখোঁজের ৩ দিন পর গত ১০ মে দুপুরে নাসির ইসলাম নয়ন (২০) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। পার্শ্ববর্তী মঙ্গলপুর গ্রামের মশিউর রহমান নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির পিছনে বালির নিচে পুতে রাখা অবস্থায় নয়নের লাশ উদ্ধার করা হয়। নয়ন উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের দুদুখান পাড়ার শাহজাহান শেখের ছেলে। 

এ ঘটনায় নয়নের মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে পরদিন ১১ মে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় কারো নাম উল্লেখ না করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর ৫ দিন পর গত ১৬ মে পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র ঘাতক মানিক হোসেন ওরফে আজমীরকে (১৮) গ্রেফতার করে। সে উজানচর ইউনিয়নের দরাপের ডাঙ্গীর হিরু শেখের ছেলে। সে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। 

এ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুরাদ হোসেন জানান, আসামি মানিক হোসেন ওরফে আজমীরকে সোমবার রাজবাড়ীর চিফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক সুধাংশু শেখরের আদালতে হাজির করা হলে সে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়।

ঘটনার বিবরণে তিনি বলেন, ঘটনার রাতে মানিক ও নয়ন একসঙ্গে বসে তারি খায়। এরপর তাদের মধ্যে মাতলামি ভাব আসলে একটা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে নয়নের মাথার পিছন দিকে সজোরে আঘাত করে মানিক। এতে সে লুটিয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণ পর মারা যায়। এরপর লাশ গোপন করার জন্য সে একটি কোদাল জোগার করে নিজেই মশিউর রহমানের বাড়ির পিছনে বালির নিচে পুঁতে রাখে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সে ছাড়া আর কেউ জড়িত ছিল না বলেও আদালতকে জানায়।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুরাদ হোসেন আরও জানান, গত এ মামলার তদন্ত শেষ করে তিনি মাত্র ৮ দিনের মধ্যে গত ১৯ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, মাত্র ৮ দিনে এ ধরনের একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আদালতে চার্জশিট প্রদানের ঘটনা বাংলাদেশ পুলিশে বিরল ঘটনা।

এ মামলার বিষয়ে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান এবং রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান তাদেরকে যথাযথ দিক নির্দেশনা দেয়াসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড