'এত রক্ত, এত ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না'
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
'এত রক্ত, এত ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না'
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

‘এত রক্ত, এত ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না’

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১
  • ৬৯ জন পড়েছেন

দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যকে পরিবর্তন করতেই হবে।  এত রক্ত এত ত্যাগ, এটা কখনো বৃথা যেতে পারে না।  এটা বৃথা যেতে আমরা দিতে পারি না, আমরা দেব না।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল) ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ দেওয়া হয়।  যারা মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন তাদের স্বজনদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে সরকার প্রধান বলেন, এইটুকু শুধু বলতে পারি, দীর্ঘ ৪০ বছরে আজকের উন্নয়নশীল বাংলাদেশে।  কিন্তু আমি ৮০ সালে লন্ডনে যাই তখন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসার জন্য সেখানে আপ্রাণ চেষ্টা করি। বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে একত্রিত করা, সংগঠন গড়ে তোলা সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সেটা আমি করতাম। তাছাড়া ১৯৮০ সালে রেহানা প্রথম তার বক্তব্য সে নিয়ে এসেছিল জাতির পিতার হত্যার বিচারের দাবি নিয়ে। সেটা ৭৫’র পর বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রদূত ছিলেন ড. রাজ্জাক।  তিনি সুইডেনে ছিলেন।  তিনি সেই সময় এই ঘটনার পর পদত্যাগ করেন।  তিনি বলেছিলেন আমি মিলিটারি ডিটেকটর সরকারের অধীনে চাকরি করব না।  তিনি একটা সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন।  সেই সম্মেলনে রেহানা যায়, তখন সে সেখানে বক্তব্য রাখে।  হত্যার প্রতিবাদ জানায়।  বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার দাবি জানায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অন্তত এইটুকু করতে পেরেছি যে বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নশীল দেশ।  বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড