‘করোনা ভাইরাস আসছে’, ৮ বছর আগে জানতেন এই ব্যক্তি!
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
‘করোনা ভাইরাস আসছে’, ৮ বছর আগে জানতেন এই ব্যক্তি!
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

‘করোনা ভাইরাস আসছে’, ৮ বছর আগে জানতেন এই ব্যক্তি!

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১
  • ৬৬ জন পড়েছেন

এ কী করে সম্ভব? এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও নেই। 

এর জবাব মার্কোর কাছেই। কিন্তু সেই মার্কোর খোঁজ এখনবধি পাওয়া যায়নি। কারণ বিস্ময়ের ব্যাপার হলো ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বরের পরে তিনি আর কোনো টুইট করেননি৷ তার শেষ টুইট ছিল একটি হাসিমুখের ইমোজি৷

যে কারণে অনুমানের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

অনেকেই বলছেন, মার্কো তার টুইটে সাধারণ করোনা গোষ্ঠীর জীবাণুর কথাই বলেছিলেন৷ নির্দিষ্টভাবে কোভিড-১৯-এর কথা লেখেননি৷ কারণ তিনি যখন পোস্ট করেছিলেন তখনও ২০১৯ সাল আসতে ৬ বছর বাকি এবং কোভিড -১৯ জীবাণুর জন্মও ভবিষ্যতের গর্ভে৷

সেই সূত্র ধরে অনেকের অনুমান, ২০১৩ সালের আগে থেকে ‘করোনাভাইরাস’ নামটির কথা ভাইরলজিস্টদের মধ্যে প্রচলিত৷ নির্দিষ্ট ভাইরাস গোষ্ঠীর ‘জেনেরিক নাম’ করোনা৷ এখন এটি মহামারির নামে পরিণত৷ তিনি হয়ত সেই জ্ঞান থেকেই টুইটটি করেছিলেন।

তবে অনেকের সন্দেহ, মার্কো টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে পোস্টের তারিখ ও সময় পাল্টেছেন৷ যা করা দুঃসাধ্য।

এমন সন্দেহে নাকচ করে দিতে পারে যে তথ্য, ২০১৬ সালের পরে আর কিছু টুইট করেননি মার্কো। তিনি হয়ত অন্য অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। কিংবা তিনি জীবিত নেই। 

তথ্যসূত্র: রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড ডট কম

গত দুই বছর ধরে পৃথিবী রাজত্ব করে চলেছে করোনাভাইরাস। যাকে খুশি তাকে কেড়ে নিচ্ছে। স্থবির করে রেখেছে বিশ্ব। 

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষদিকে চীনের হুবেই প্রদেশে জন্ম নিয়ে মাত্র কয়েকমাসে গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে এই ভাইরাস, যা কোভিড-১৯ নামে পরিচিত।

অথচ  করোনাভাইরাস বিষয়ে ৮ বছর আগেই জানতেন মার্কো নামের এক যুবক! 

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক টুইটবার্তা এমনটাই বলছে। 

২০১৩ সালের ৩ জুন মার্কো টুইট করেন ‘করোনা ভাইরাস আসছে’। টুইট বার্তা নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। 

মার্কো কোনো সেলিব্রেটি ছিলেন না যে, তার সেই টুইট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়বে। তাই ওই সময় পোস্টটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেনি তেমন একটি। 

কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মানুষ তার টুইটটির উপর হুমড়ি খেয়ে পড়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বছরের পুরনো পোস্ট নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে৷ ১ লাখ ৮৪ হাজার রিটুইট হয়েছে ইতোমধ্যে।

টুইটার ব্যবহারকারীরা মার্কোর প্রোফাইলে দেখতে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। 

প্রশ্ন উঠেছে, মার্কো কি সত্যি জানতেন ৬ বছর এক মহামারি বিশ্বকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে? 

এ কী করে সম্ভব? এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও নেই। 

এর জবাব মার্কোর কাছেই। কিন্তু সেই মার্কোর খোঁজ এখনবধি পাওয়া যায়নি। কারণ বিস্ময়ের ব্যাপার হলো ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বরের পরে তিনি আর কোনো টুইট করেননি৷ তার শেষ টুইট ছিল একটি হাসিমুখের ইমোজি৷

যে কারণে অনুমানের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

অনেকেই বলছেন, মার্কো তার টুইটে সাধারণ করোনা গোষ্ঠীর জীবাণুর কথাই বলেছিলেন৷ নির্দিষ্টভাবে কোভিড-১৯-এর কথা লেখেননি৷ কারণ তিনি যখন পোস্ট করেছিলেন তখনও ২০১৯ সাল আসতে ৬ বছর বাকি এবং কোভিড -১৯ জীবাণুর জন্মও ভবিষ্যতের গর্ভে৷

সেই সূত্র ধরে অনেকের অনুমান, ২০১৩ সালের আগে থেকে ‘করোনাভাইরাস’ নামটির কথা ভাইরলজিস্টদের মধ্যে প্রচলিত৷ নির্দিষ্ট ভাইরাস গোষ্ঠীর ‘জেনেরিক নাম’ করোনা৷ এখন এটি মহামারির নামে পরিণত৷ তিনি হয়ত সেই জ্ঞান থেকেই টুইটটি করেছিলেন।

তবে অনেকের সন্দেহ, মার্কো টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে পোস্টের তারিখ ও সময় পাল্টেছেন৷ যা করা দুঃসাধ্য।

এমন সন্দেহে নাকচ করে দিতে পারে যে তথ্য, ২০১৬ সালের পরে আর কিছু টুইট করেননি মার্কো। তিনি হয়ত অন্য অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। কিংবা তিনি জীবিত নেই। 

তথ্যসূত্র: রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড ডট কম

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড