‘এসপি বাবুলকে ভয়, তাই মুখ খুলিনি’
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
‘এসপি বাবুলকে ভয়, তাই মুখ খুলিনি’
শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৭ অপরাহ্ন

‘এসপি বাবুলকে ভয়, তাই মুখ খুলিনি’

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ মে, ২০২১
  • ১১১ জন পড়েছেন

মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন সাবেক এসপি বাবুলের সোর্স কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার। 

পান্নার দাবি করেন, মিতুর হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল তার স্বামীর মোবাইলে ফোন করেন। তাকে শেল্টার দেওয়ার আশ্বাস দেন। বাবুল আকতারের নির্দেশেই তার স্বামী এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন।

মিতু হত্যার প্রায় পাঁচ বছর পর কে এ নিয়ে কথা বলছেন, আগে বলেননি কেন? এমন প্রশ্নে পান্না বলেন, সন্তান, পরিবার ও আমার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আগে কথা বলিনি। আমি বাবুল আক্তারকে ভয় করতাম। বাবুল আক্তারের পরিচিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনার পর থেকে আমাকে হুমকি দিতেন, আমি তাদেরকে ভয় পেতাম। আমি জানতাম, মুসা এ ঘটনায় জড়িত; সেজন্য ভয় পেতাম। সব মিলিয়ে আমি আগে মুখ খুলিনি। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? আজ পাঁচ বছর আমার স্বামী নিখোঁজ। তার সন্ধান চাই আমি। মামলার জন্য হলেও তো মুসাকে দরকার। কারণ সে সবকিছু জানে।

পান্না আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন পর তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। সেখানে সব খোলাসা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবুলের ঘনিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে হুমকি দিয়ে এ কাজ থেকে বিরত রাখেন।

পান্না আক্তারের ভাষ্য, ‘মিতু হত্যাকাণ্ডের পর আমার বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। তারপর আমি এ হত্যার বিষয়ে মুসার কাছে কয়েকবার জানতে চেয়েছিলাম। প্রথমে মুসা কিছু বলে নি। পরে এক সময় মুসা আমাকে জানায়, বাবুলের নির্দেশে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বিকালে মুসার স্ত্রী পান্না গণমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘আমি মুসার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তোমরা কেন এমন একটি জঘন্য কাজ করলে? এখন আমার সন্তানদের কী হবে? আমার কী হবে? তখন মুসা জানিয়েছিল, বাবুল আক্তার তাকে শেল্টার দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাবুল আমার স্বামীকে চিন্তা না করতে বলেছেন। কিন্তু তারপর আমার স্বামীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। সেখান থেকে আজ পাঁচ বছর আমি মুসার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমি মুসার খোঁজ চাই।’

বাবুল মুসাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতেন বলেও দাবি করেন স্ত্রী পান্না। ‘মুসা রাজনীতি করত, বিএনপির সমর্থক ছিল। ২০১৩ সাল থেকে মুসা এসপি বাবুল আক্তারের সোর্স ছিল বলে আমি জেনেছি। মিতুকে হত্যার পর মুসার ফোনেও বাবুল আক্তার কল দিয়েছিলেন। আমি ধরেছিলাম। তখন বাবুল আকতার জানতে চান, মুসা কোথায়? আমি বলেছিলাম, বাইরে গেছে। তখন বাবুল ফোনে আমাকে বলেছিলেন, মুসাকে সাবধানে থাকতে বলবা। তারপর থেকে আমার সন্দেহ আরও বাড়ে।’

মুসার স্ত্রী দাবি করেন, ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২৫ জুন তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবুল আক্তারের ঘনিষ্ঠ দুই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলন করতে নিষেধ করেছিলেন। তারপরও তিনি ওই বছরের ৫ জুলাই আবার সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। তখনও করতে দেওয়া হয়নি। সে সময় তিনি বাবা ও শ্বশুরের বাড়ি রাঙ্গুনিয়াতে থাকতেন। 

পান্নার ভাষ্য, ‘আমাকে চট্টগ্রামও যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমি এ ব্যাপারে কথা বললে আমাকে জঙ্গি বানিয়ে গ্রেফতার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমি প্রচণ্ড ভয়ে থাকতাম।’

পিআইবিকে সব তথ্য জানিয়েছেন দাবি করে পান্না আক্তার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বর মাসে মুসার ব্যাপারে জানতে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আমি যা যা জানি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। যা যা আমি জানতাম, সবই আমি বলেছিলাম। তারপর থেকে মূলত আমি চিন্তা করা শুরু করি, এ ব্যাপারে আমি কথা বলব। এখন বাবুল আক্তার জেলে। আমার ক্ষতি হবে না বলে আমি মনে করছি। সেজন্য এখন কথা বলছি।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। 

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। 

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল। তবে পুলিশ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই।  মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন তার মামলায় অভিযোগ করেন, মিতু পরকীয়ায় বাধা হওয়ায় তাকে খুন করেন বাবুল।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড