ফেরির মধ্যেই পড়ে ছিল লাশ-অজ্ঞান ব্যক্তিরা
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
ফেরির মধ্যেই পড়ে ছিল লাশ-অজ্ঞান ব্যক্তিরা
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন

ফেরির মধ্যেই পড়ে ছিল লাশ-অজ্ঞান ব্যক্তিরা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ মে, ২০২১
  • ১২৬ জন পড়েছেন

বুধবার দুপুরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের পদ্মানদীতে একটি রোরো ফেরিতে আসছিল কয়েক হাজার যাত্রী। ফেরির যানবাহন রাখার খোলা জায়গায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। প্রখর রোদের তাপে ফেরি যখন বাংলাবাজার ঘাটের কাছাকাছি আসে তখনই অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করে যাত্রীরা। ফেরিতেই লাশ ও অজ্ঞান ব্যক্তিরা পড়ে ছিল।

পানির পিপাসা আর গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন তারা। ওই ফেরিতে পার হওয়া একাধিক যাত্রীর বর্ণনা ছিল এমনই।

ফেরিটি বাংলাবাজার ঘাটে ভিড়লে অসুস্থ যাত্রীদের মধ্যে চারজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া পল্টনে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অসুস্থ অর্ধশতাধিক যাত্রীকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা ১১টার দিকে শিমুলিয়া থেকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরীতে উঠেন কমপক্ষে তিন হাজার যাত্রী। এনায়েতপুরী ফেরিটি মাঝপদ্মায় যাওয়ার পরে তীব্র গরমে ফেরির ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এনায়েতপুরী ফেরিটি শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে ভিড়লে দেখা যায় কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী জ্ঞান হারিয়ে পড়ে আছে।

ভিড়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফেরি যখন ঘাটে ভিড়ে তখন হাজার হাজার মানুষে নামতে শুরু করে। এ সময়ই অসুস্থ লোকগুলো চাপে পড়ে মারা যায়। অসুস্থ হয় অনেকে। তাদের পিকআপে ভ্যানে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এদের মধ্যে এক কিশোর, দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বালীগ্রাম এলাকার নিপা আক্তার (৩৪) এবং শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কলিকা প্রসাদ এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে আনচুর মাতুব্বরের (১৪) পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

মৃত নিপা আক্তারের ছেলে রিফাত হোসেন (১৪) কান্নারত অবস্থায় জানান, তার মা ফেরিতে থাকার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে ফেরি যখন ঘাটের ভিড়ে তখন লোকজন নামতে শুরু করে। এ সময় সেও ব্যাগ হাতে নেমে আসে। পল্টনে নামার পর তার মাকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে থাকে ভিড়ের মধ্যে। লোকজন নেমে গেলে ফেরির ডেকে মৃত অবস্থায় তার মাকে পড়ে থাকতে দেখে সে।

বজলুর রহমান নামের এক যাত্রী জানান, ফেরিতে প্রচুর ভিড়। ফেরির ডেকে বেশিরভাগ যাত্রী গায়ের সঙ্গে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকে ফেরি বাংলাবাজার ঘাটে যাওয়া আগেই অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। লোকজনের ভিড়ে আমরা প্রায় শ্বাস নিতে পারছিলাম না। তার ওপর রোদের কড়া তাপ। অনেকেই পানির জন্য চেঁচামেচি করছিল।

শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, লোকগুলো হিটস্ট্রোকে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ প্রচণ্ড ভিড় আর তীব্র গরম রয়েছে। এ কারণেই এক কিশোর, ২ নারী ও ২ পুরুষ যাত্রীর মৃত্যু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়ে অর্ধশতাধিক। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড