1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
রাবির গণনিয়োগের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ মে
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৬ অপরাহ্ন

রাবির গণনিয়োগের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ মে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ৯৩ জন পড়েছেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিত গণনিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি আগামী ২৩ মে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে অনুরোধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ৯ মে থেকে বিভিন্ন দিবসের ছুটি ও বন্ধের দিনগুলো বাদ দিলে ২৩ মে তদন্ত প্রতিবেদন জমাদানের শেষদিন হয়। ফলে শেষদিনেই কমিটি মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কমিটির প্রধান ও ইউজিসির সিনিয়র সদস্য ড. মুহাম্মদ  আলমগীর। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে যুগান্তরকে এটাও জানিয়েছেন, তারা এখন রাবির বিতর্কিত গণনিয়োগের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছেন। তদন্তের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হবে না কমিটির।

এদিকে তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, রাবির এ গণনিয়োগকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার পরিপত্রে অবৈধ ঘোষণা করায় এ নিয়োগের বৈধতার কিছু নেই। সেটিও কমিটির তদন্তের মূল বিষয় নয়। তদন্ত কমিটি নিয়োগের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখে তেমনই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

অন্যদিকে বিদায়ী ভিসি ড. সোবহান তার বলয়ভুক্ত কিছু গোষ্ঠী, শ্রেণী ও সংগঠনের লোকেদের খুশি করতে যেমন এই ধরনের বেহিসেবী নিয়োগ দিয়েছেন তেমনি এই নিয়োগের পেছনে তার ব্যক্তিগত গভীর স্বার্থও জড়িত ছিল বলে মনে করেন তদন্ত কমিটি।

যেহেতু ড. সোবহান ২০১৭ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসি হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ ও পেনশনসহ সকল সুযোগ ও আর্থিক পরিতোষিক তুলে নিয়েছেন। সেহেতু একেবারে বিদায়ের কয়েক ঘণ্টা আগে গণনিয়োগ দিয়ে তিনি তার শেষ স্বার্থ হাসিলে মরিয়া ছিলেন। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে তার আর কিছুই পাওয়ারও ছিল না। শেষ সময়ে তিনি কিছু হাসিল করতে চেয়েছিলেন।

কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে যুগান্তরকে বলেন, বিদায়ী ভিসি ড. সোবহান তদন্ত কমিটির সামনে দেওয়া মৌখিক জবানবন্দিতে বলেছেন, বিতর্কিত ১৪১ জনবল নিয়োগের পুরো দায়দায়িত্ব তারই। তবে নিয়োগের জন্য বিভিন্ন মহলের চাপ ছিল বলে তিনি কমিটির কাছে স্বীকার করে নেন। এ কারণে এসব নিয়োগ তিনি দিয়েছেন।

এখন নিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে ড. সোবহান ভাবিত নন বলে কমিটিকে নিজেই জানিয়েছেন। নিয়োগ টিকবে কি-টিকবে না-তা নিয়েও ড. সোবহানের মধ্যে কোনো ভাবান্তর দেখতে পাননি কমিটির সদস্যরা।

কমিটির আরেক সদস্য নাম প্রকাশ না করে বলেন, ড. সোবহানকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এভাবে নিয়োগ দিলে পরবর্তীতে জটিলতা হবে-এমনটা তিনি ভেবেছিলেন কিনা। ড. সোবহান কমিটিকে বলেছেন, তিনি চেয়েছেন এবং দিয়ে দিয়েছেন। পরে কি হবে-তা তিনি ভাবা দরকার মনে করেননি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রাবির পরবর্তী প্রশাসন যেটা ভালো মনে করবেন সেটাই করবেন-কমিটিকে ভিসি সোবহান তাও বলে দিয়েছেন।

সূত্রমতে, কমিটি তাকে প্রশ্ন করেছিল গত ১০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় রাবিতে সব নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। সেটা আপনি মেনে নিয়ে বিজ্ঞাপিত সব পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত  করেছিলেন। তবে কেন আপনি সেইসব বিজ্ঞাপিত পদগুলিতে  এমন বিতর্কিত নিয়োগ দিলেন।

কমিটির সূত্র মতে, ড. সোবহান এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে পারেননি। বরং অনেক সময় মাথা নিচু করে চুপ থেকেছিলেন।

কমিটি সূত্র আরও জানায়, বরং রাবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর আব্দুস সালাম, ভিসি সোবহানের নির্দেশে এসব বিতর্কিত নিয়োগে স্বাক্ষর না করে যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা তাকে এজন্য ধন্যবাদ দিয়েছি।

তদন্ত কমিটির প্রধান আরও জানান, এই বিতর্কিত নিয়োগের সব দায়-দায়িত্ব পুরোপুরিভাবে বিদায়ী ভিসি প্রফেসর সোবহানের ওপরেই বর্তায়। যেসব কর্মকর্তাকে দিয়ে তিনি বিতর্কিত নিয়োগের এসব কাজ করিয়েছেন তাদের দায় খুব বেশি নেই। কারণ তারা ভিসির নির্দেশে এসব কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে কমিটির কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

তবে যেসব কর্মকর্তা এই  গণনিয়োগের হুজুগে পড়ে নিজের ভাই ভাতিজা আত্মীয় স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন তাদের বিষয়ে দায় তাদের নিতে হবে। সহকারী রেজিস্ট্রার তারিকুল ইসলাম তার দুই ভাইকে চাকরি দিয়েছেন। উপ-রেজিস্ট্রার ইউসুফ আলী তার ছেলেকে চাকরি দিয়েছেন। এসব বিষয় তদন্ত কমিটি জেনেছে ও খতিয়ে দেখছে।

উল্লেখ্য গত ৫ মে রাতে রাবির বিদায়ী ভিসি ড. সোবহান ১৪১ জনকে নিয়োগ দিলে ৬ মে তার কার্যদিবসের শেষদিনে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ড. সোবহান কড়া পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

এদিনই  শিক্ষা মন্ত্রণালয় ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি অন্য সদস্যরা হলেন ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. আবু তাহের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব জাকির হোসেন আকন্দ ও ইউজিসির পরিচালক জামিনুর রহমান। কমিটি গত ৮ মে রাবি ক্যাম্পাসে গিয়ে দিনভর ঘটনা তদন্ত করেন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড