সৌন্দর্য হারাচ্ছে জলপ্রপাত
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
সৌন্দর্য হারাচ্ছে জলপ্রপাত
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

সৌন্দর্য হারাচ্ছে জলপ্রপাত

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মে, ২০২১
  • ১০০ জন পড়েছেন

রোমাঞ্চকর থানচি উপজেলা ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হচ্ছে নৈসর্গিক সৌন্দর্য ছড়ানো অমিয়খুম, সাতভাইখুম, নাফাখুম এবং রেমাক্রি জলপ্রপাত। আর প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য পাথর এবং স্বচ্ছ পানির জলধারা।

প্রকৃতি ধ্বংস করে রেমাক্রি খালের আগায় উৎপত্তিস্থলের ঝিরি-ঝরনা পথের প্রাকৃতিক সম্পদ পাথর অবৈধভাবে উত্তোলনের কাজ করছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে উচনু মারমা, জসিমউদ্দিন, রুমা ইউনিউনের সাবেক মেম্বার চিংসা থোয়াই বিপ্লব এবং মোহাম্মদ হোসেন।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, থানচি উপজেলার মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলের অসংখ্য ছোটবড় পাহাড়ি ঝিরি, ঝরনা, ছড়া, খালের পানি বয়ে যুক্ত হয়েছে রেমাক্রি খালে। রেমাক্রি খালের আগায় উৎপত্তিস্থলে রয়েছে নৈসর্গিক সৌন্দর্য ছড়ানো দর্শনীয় পর্যটন স্পট অমিয়খুম, সাতভাইখুম, নাফাখুম।

ঝরনাধারাগুলোর পানি পাহাড়, ছড়া খাল ডিঙিয়ে রেমাক্রি জলপ্রপাত হয়ে মিশেছে সাংগু নদীতে। রোমাঞ্চকর থানচি উপজেলায় ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হচ্ছে নৈসর্গিক সৌন্দর্য ছড়ানো উল্লেখিত পর্যটন স্পটগুলো।

দর্শনীয় ট্যুরিস্ট স্পটগুলোর প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতেই দেশি-বিদেশি হাজারো পর্যটক সারা বছর ভিড় জমায় থানচিতে। তবে বর্ষার শেষদিকে এবং শীতের শুরুতে পর্যটকের চাপ থাকে অন্য সময়গুলোর তুলনায় বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কজন রাজনৈতিক নেতা অভিযোগ করে বলেন, থানচি উপজেলার উন্নয়নের মূলেই রয়েছে পর্যটন শিল্পের বিকাশ। আর পর্যটনের মূল আকর্ষণ হচ্ছে অমিয়খুম, সাতভাইখুম, নাফাখুম এবং রেমাক্রি জলপ্রপাত। কিন্তু কিছু অসাধু পাথরখেকো পাহাড়ের এই নৈসর্গিক সৌন্দর্য ধ্বংসের কাজ করে চলেছে।

উন্নয়নের নামে পাথরখেকোরা রেমাক্রি খালের উৎপত্তিস্থল থেকে ছোটবড় পাথর উত্তোলনের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। থানচি-লিক্রে সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহারের অজুহাতে প্রাকৃতিক সম্পদ পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন করে মেশিনে ভেঙে কংক্রিট বানিয়ে বিক্রি করছে ঠিকাদারদের কাছে। নিরাপত্তার অজুহাতে নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কে জনসাধারণ এবং সরকারি সংস্থার লোকজনের যাতায়াতে বিধিনিষেধ থাকায় ফায়দা নিচ্ছে সংঘবদ্ধ পাথরখেকোরা।

পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান অফিসের উপপরিদর্শক আব্দুস সালাম জানান, থানচিতে পাথর উত্তোলন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কজনকে জরিমানা করা হয়েছে।

পরিবেশ আইনে মামলা করা হয়েছে দোষীদের বিরুদ্ধে। রেমাক্রি খালের আগায় কয়েকটি স্থানেও অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের খবর পেয়েছি। কিন্তু থানচি-লিক্রে নির্মাণাধীন সড়কে চলাচলে কিছুটা বিধিনিষেধ থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি। তবে ইউএনও স্যারের নেতৃত্বে সেখানেও অভিযান চালানো হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরিজি জানান, প্রাকৃতিক পাথর উত্তোলনের কোনো নিয়ম নেই। পরিবেশ ধ্বংস করে পাথর উত্তোলন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে।

অপরাধীদের জেল-জরিমানা ছাড়াও উত্তোলন করা পাথরগুলো নিলাম না দিয়ে পুনরায় ঝিরিতে ফেলতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাথরের নিলাম ও পারমিট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড