সারারাত ইবাদত করার সওয়াব যেসব আমলে
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
সারারাত ইবাদত করার সওয়াব যেসব আমলে
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

সারারাত ইবাদত করার সওয়াব যেসব আমলে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ মে, ২০২১
  • ১৬৪ জন পড়েছেন

পবিত্র রমজানের শেষ দশক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার সময়। এ সময়ের প্রতিটি রাতে নবীজি (সা.) না ঘুমিয়ে রাত জেগে থেকে ইবাদত করতেন। 

তবে কর্মব্যস্ত মানুষ দিনের বেলায় পরিশ্রম করার কারণে রাত জেগে ইবাদত করতে পারেন না। তারা এমন কিছু আমল করতে পারেন- যেগুলো করলে সারারাত না জেগেও রাত জেগে আমল করার পূর্ণ সওয়াব পাওয়া যাবে।

এশা, তারাবি ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা: নবীজি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে রাতে এশা ও তারাবি নামাজ পড়ে এবং ইমাম নামাজ শেষ করে চলে যাওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেন। আল্লাহতায়ালা ওই ব্যক্তিকেও সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সমান সাওয়াব দান করেন।’ (আবু দাউদ)

ইমামের সঙ্গে জামাতে এশা এবং তারাবি নামাজ শেষ পর্যন্ত থেকে আদায় করলে আল্লাহতায়ালা ওই ব্যক্তিকে সারারাত জেগে ইবাদত করার সওয়াব দান করবেন।

অন্য এক হাদিসে রয়েছে- প্রিয় নবি (সা.) বলেন, যে লোক এশার নামাজ জামাতের সাথে আদায় করল, সে ব্যক্তিকে আল্লাহতায়ালা সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত-বন্দেগি করার সাওয়াব দান করবেন। আর যে লোক এশা এবং ফজর উভয় নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করবে, আল্লাহতায়ালা তাকে সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সাওয়াব দান করবেন।’ (মুসলিম)

অর্থাৎ এমন একটি সহজ আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে মুমিন বান্দা সারারাত ঘুমিয়েও পূর্ণরাত ইবাদত বন্দেগি করার সওয়াব লাভ করবে। আর তা হলো এশা এবং ফজর নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

রমজানের শেষ দশকে মুমিন বান্দা অবশ্যই রাত জেগে ইবাদত বন্দেগি করবে ঠিকই কিন্তু সারারাত নিয়মিত ইবাদত করা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই কমপক্ষে এশা আর ফজর জামাতের সঙ্গে আদায় করলে সারারাত ইবাদত করার সওয়াবটা হাসিল হবে।

রাত জেগে ইবাদত করার নিয়ত করে ঘুমোতে যাওয়া: যে ব্যক্তি এ নিয়তে বিছানায় ঘুমোতে যায় যে, সে রাতে জেগে উঠে ইবাদত-বন্দেগি করবেন। কিন্তু বিছানায় ঘুমানোর পর, তার ঘুম এত ভারি ও প্রবল ছিল যে সে আর জেগে ইবাদত করতে পারেনি। ঘুমেই তার রাত অতিবাহিত হয়ে গেছে। সে ব্যক্তিও রাতে জেগে ওঠে ইবাদত-বন্দেগির নিয়তের কারণে সারারাত জেগে ইবাদত করার সাওয়াব পাবেন। আর এ ব্যক্তির জন্য রাতের ঘুমটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে সদকাহ বা উপহার।

১০০ আয়াত তেলাওয়াত করা: নবীজি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রাতে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করবে, আল্লাহতায়ালা তাকে সারারাত ইবাদতের সমান সওয়াব দান করবেন। (সহিহুল জামে)। 

কুরআনুল কারিমের যে কোনো সুরা বা স্থান থেকে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করলেই সাররাত জেগে আমল করার সওয়াব পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড