পুলিশের ভুলে তছনছ নিরপরাধ নারীর সাজানো সংসার
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
পুলিশের ভুলে তছনছ নিরপরাধ নারীর সাজানো সংসার
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

পুলিশের ভুলে তছনছ নিরপরাধ নারীর সাজানো সংসার

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ৪৮ জন পড়েছেন

কোনো ধরনের অপরাধ না করেও পুলিশের ভুলে তছনছ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের এক নারীর সাজানো সংসার। বিনা দোষে প্রায় ১৭ মাস জেল খাটতে হয়েছে হাসিনা বেগমকে (৪০)। যাদের ভুলে তার এতবড় ক্ষতি হয়ে গেল তাদের কি বিচার হবে?

আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার মুক্তি পেয়েছেন হাসিনা বেগম। তবে এই সময়ে তার সংসারের ওপর দিয়ে খড়গ বয়ে গেছে। মামলার খরচ যোগাতে গিয়ে হারিয়েছেন বসতবাড়িও। দিনমজুর স্বামী এলাকা ছেড়ে কোথায় চলে গেছেন জানে না পরিবার। 

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক শরীফুল আলম ভূঞা হাসিনা বেগমের মুক্তির আদেশ দেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় দীর্ঘদিন পর সন্তান শামীম নেওয়াজকে (১৬) পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই নারী। জেলগেটের সামনে হাসিনা বেগম বলেন, নামের একাংশ মিল থাকায় মাদক বহনের একটি মামলায় প্রায় সতেরো মাস জেল খেটেছেন তিনি। এই সময়ে জেল থেকে বের করতে তার সন্তান ৩০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিল বসতবাড়ি। সেই টাকা মামলার পেছনে খরচ করেও জেল থেকে বের হতে পারেননি; বরং বসতবাড়িটি এখন হাতছাড়া।

হাসিনা আরও বলেন, জেলের ভেতর কতটা কষ্ট পেয়েছি, তার কথা বাদই দিলাম। পুলিশের ভুলে আমার জীবন থেকে এতগুলো দিন চলে গেছে, সেই দিনগুলো কি ফেরত দিতে পারবেন? যাদের ভুলে জীবন থেকে ১৭ মাস চলে গেছে তাদের বিচার দাবি করেছেন এই নারী। 

ছেলে শামীম নেওয়াজ বলেন, একটি ভুলে আমাদের জীবন-পরিবার এলোমেলো হয়ে গেছে। আমার মা জেলে যাওয়ার পর আমার দিনমজুর বাবাও এলাকা ছেড়ে কোথায় চলে গেছেন জানি না। হারিয়েছি আমাদের বসতবাড়ি। আমার দুই বোন থাকেন নানুর বাড়িতে। বর্তমানে আমি শহরে একটি বাসায় কাজ করি।

শামীম নেওয়াজের কাছ থেকে তার মায়ের বিনা দোষে সাজা ভোগের বিষয়টি জানতে পারেন আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। এরপর তিনি ভুক্তভোগী নারীর পক্ষে আইনি সহায়তা দেওয়ার কাজ শুরু করেন।

গোলাম মাওলা মুরাদ মঙ্গলবার বলেন, শামীম নেওয়াজের কাছ থেকে সবকিছু শুনে ২২ মার্চ আদালতে আবেদন করি। এরপর আদালত টেকনাফ থানার পুলিশকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেন। 

গত বৃহস্পতিবার তারা প্রতিবেদন দিয়ে জানায়, প্রকৃত আসামি হাসিনা আক্তারের বদলে জেলে আছেন হাসিনা বেগম। তাদের স্বামীর নাম এক তবে অন্য তথ্যে পার্থক্য আছে। জেল কর্তৃপক্ষও একটি প্রতিবেদন দেয়। সবকিছু যাচাই-বাছাইয়ের পর আদালত হাসিনা বেগমকে মুক্তি দিয়েছেন।

মুরাদ বলেন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবার আবেদন করব। হাসিনা বেগমের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েও আবেদন করা হবে। 

ইয়াবা বহনের মাদক মামলায় দণ্ডিত হাসিনা আক্তারের বদলে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে হাসিনা বেগমকে গ্রেফতার করেছিল টেকনাফ থানা পুলিশ। দুই নারীর স্বামীর নামই হামিদ হোসেন। এরপর সতেরো মাস জেল খা্টতে হয় নির্দোষ হাসিনা বেগমকে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড