এবার রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু?
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
এবার রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু?
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

এবার রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু?

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৪৮ জন পড়েছেন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাবেক ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের পরিবহন মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। এবার তিনিই নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।  তিনি শুভেন্দু অধিকারী।

বিজেপির মনোনয়ন পাওয়ার আগেই শুভেন্দু অধিকারী মমতাকে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন।  

নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘হাফ লাখ’ (অর্ধ লক্ষ অর্থাৎ, ৫০,০০০) ভোটের ব্যবধানে হারাতে না পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে ঘোষনা দেন।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত ১৮ জানুয়ারি টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে রাসবিহারী পর্যন্ত মিছিলের শেষে রাসবিহারীতে এক সভায় শুভেন্দু বলেন, ‘‘নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে যদি হাফ লাখ ভোটে হারাতে না পারি, রাজনীতি ছেড়ে দেব।’’

ওই দিনই মমতা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নন্দীগ্রাম থেকেই দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।  যার কারণে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম হয়ে উঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

পরে মমতা ওই আসনের প্রার্থী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, ‘মাননীয়া আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার জন্য প্রার্থী হয়েছেন।’

শুভেন্দু অধিকারীর পিতা প্রবীণ রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারীও একইভাবে বলছেন, ‘আমার পুত্রের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন।’

রোববার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে ১৪৮টি আসনে জিতলেই ক্ষমতায় যাওয়া যায় সেখানে ইতিমধ্যে ২১৩টি আসন জয়লাভ করেছে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় এ দলটি।  তবে এর মাঝে নন্দীগ্রাম আসনে নির্বাচন কমিশন ১৯৫৬ ভোটে জয়ী ঘোষণা করেন। যদিও এ জয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, ওই দিন সন্ধ্যায় মমতা ১২০১ ভোটে জয় পেয়েছেন।  সন্ধ্যার পরই আনন্দবাজারকে শুভেন্দু জানান তিনি ১৬২২ ভোটে জয় পেয়েছেন।  এ নিয়ে মমতা আদালতে যাওয়ারও হুশিয়ারি দিয়েছেন।  তিনি জানিয়েছেন, রিটার্নিং অফিসারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ভোট পুনর্গণনা না করতে চাপ তৈরি করেছে বিজেপি।

শুভেন্দু কি তার কথা রাখবেন?

তিন মাস আগে দেয়া নিজের ঘোষণা ছিল, ‘‘নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে যদি হাফ লাখ ভোটে হারাতে না পারি, রাজনীতি ছেড়ে দেব।’’
তিনি তো তা পারেননি।  এবার প্রশ্ন উঠেছে, শুভেন্দু কি তার কথা রাখবেন? তিনি কি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন? এ নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

শুভেন্দুর যত বিতর্কিত বক্তব্য

বিজেপিতে যোগ দেয়ার পর থেকে নানা বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে চলেছেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে আবার ক্ষমতায় আনলে পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মির হয়ে যাবে বলে সম্প্রতি মন্তব্য করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচিত হন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ শুভেন্দুর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়ায় টুইটবার্তায় বলেন, ‘কিন্তু আপনাদের মতো বিজেপিওয়ালাদের কথা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের আগস্টের পর থেকে কাশ্মীর স্বর্গ হয়ে গিয়েছে ৷ তাই যদি পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মীর হয়ে যায়, তাহলে ক্ষতি কী? বাঙালিরা কাশ্মীরকে ভালোবাসে এবং আরও বেশি সংখ্যায় কাশ্মীর আসুন, যাতে আপনাকে ও আপনার বিস্বাদ ও নির্বোধের মতো মন্তব্যকে আমরা ক্ষমা করতে পারি ৷’

কাঁথির নির্বাচনি সভায় গত বুধবার তিনি বলেছেন, ‘মমতাকে আবার ক্ষমতায় আনলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হয়ে যাবে’।

শুভেন্দুর মুখে কেন বাংলাদেশবিদ্বেষী বক্তব্য?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির ট্রাম্প কার্ড ‘অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ ইস্যু।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজএইটিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশবিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে একশ্রেণির ভোটারদের কাছে টানতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু।

এছাড়াও বেহালার মুচিপাড়ায় দেওয়া বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘যদি তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মির হয়ে যাবে৷’  

বুধবার কাঁথিতে শুভেন্দু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে ফের যদি তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ নয়, এটা বাংলাদেশ হয়ে যাবে।’

শুভেন্দুর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক সমাবেশে বলেছেন, ‘কিছু গাদ্দার আমার দলে ছিল। তারা টাকা বাঁচাতে বিজেপিতে গেছে। আপদ বিদায় হয়েছে, বেঁচে গিয়েছি।’

নিউজ এইটিন তাদের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করেছে, বিজেপিতে যাওয়ার পর থেকে মেরুকরণের রাজনীতিই শুভেন্দুর অন্যতম হাতিয়ার। কখনও তিনি বাংলাকে কাশ্মির হয়ে যাওয়ার কথা বলছেন, কখনও বা বাংলাদেশ।

‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’- স্লোগান নিয়েও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন তিনি।

মমতার উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে শুভেন্দু বলেছেন, ‘আপনাকে বাংলার ঘরের মেয়ে কেউ মনে করে না। বাংলার মেয়েরা আপনাকে আপন ভাবে না। আপনি শুধুমাত্র রোহিঙ্গাদের ফুফু আর অনুপ্রবেশকারীদের (বাংলাদেশিদের) খালা।’

‘জয় বাংলা’ সহ তৃণমূলের অধিকাংশ স্লোগানই বাংলাদেশের বলে উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকে বাংলাদেশ হতে দেবেন না। তোলাবাজ সরকার আর নয়, আর নয় অন্যায়।’

শুভেন্দুর এসব কথা ফলেনি।  পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ভূমিধস জয় দিয়েছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার ও নিউজএইটিন

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড