ধর্ষণের ঘটনায় সালিশে বিয়ের প্রস্তাব, অতঃপর...
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
ধর্ষণের ঘটনায় সালিশে বিয়ের প্রস্তাব, অতঃপর...
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০১:৩২ অপরাহ্ন

ধর্ষণের ঘটনায় সালিশে বিয়ের প্রস্তাব, অতঃপর…

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ৬৪ জন পড়েছেন

ঢাকার ধামরাইয়ে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ধর্ষকের পরিবার।পক্ষান্তরে তা প্রত্যাখ্যান করে ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন ধর্ষিতার পরিবার।

শনিবার বিকালে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নে এ ধর্ষণের ঘটনায় সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৪ মাস পূর্বে জয়পুরা গ্রামের সেলিম হোসেনের বখাটে ছেলে মহসীন হোসেন প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে। এরপর একটি গোপন স্থানে নিয়ে ৪ মাস আটকে রেখে ওই স্কুলছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় অপহৃতা ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার এসআই মো. রাসেল হোসেন ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য অপহরণকারীর পরিবারকে ভীষণ চাপ সৃষ্টি করেন। এর ফলে ধর্ষক অবস্থার বেগতিক বুঝতে পেরে ১৫ দিন আগে ওই স্কুলছাত্রীকে জয়পুরা রাস্তায় রেখে যায়। মেয়েকে ফিরে পাওয়ার পর পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়।

এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাসেল হোসেন ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানোর জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) প্রেরণ করেন। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মেয়েটি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে ধরা পড়ে।

অবস্থার বেগতিক বুঝতে পেরে এ ব্যাপারে মীমাংসার জন্য ধর্ষকের পরিবার শনিবার বিকাল ৪টার দিকে এক সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। এ সালিশি বৈঠকে ধর্ষকের পিতা মো. সেলিম হোসেন ও চাচা মো. দেলোয়ার হোসেন ওই স্কুলছাত্রীকে ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে এ বিয়ে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ওই স্কুলছাত্রীর পিতা।

ধর্ষকের পিতা মো. সেলিম হোসেন বলেন, যেহেতু ছেলে অপরাধ করে ফেলেছে। তাই পিতা হিসাবে আমার যা দায়িত্ব তা আমি পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। চেয়েছিলাম বিষয়টি মামলা মোকদ্দমা না  করে স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করে শান্তিতে বসবাস করতে। কিন্তু মেয়ের বাবা কোনোমতেই এতে রাজি হচ্ছেন না।

মেয়ের বাবা বলেন, ছেলে একজন নেশাখোর। তাই আমি বাবা হয়ে একজন নেশাখোরের সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়ে ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চাই না। এছাড়া আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আইনে যা হবে তা আমি মাথা পেতে নেব। আমি ওই ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড