‘আজকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তার সচিব হচ্ছে’
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
‘আজকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তার সচিব হচ্ছে’
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

‘আজকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তার সচিব হচ্ছে’

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৫৫ জন পড়েছেন

কওমি শিক্ষার্থীদের কোনো সার্টিফিকেট ছিল না। তারা লেখাপড়া করতো কিন্তু কোনো স্বীকৃত সার্টিফিকেট পেত না। তাদের সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোনো ব্যবস্থা ছিল না। 

গত ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যখন রাষ্ট্রের দায়িত্বে আসেন তখন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার তিনি আমূল পরিবর্তন করেছেন। সেই সময়ে বিএনপি জামায়াতপন্থীরা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছিল যে মাদ্রাসার মধ্যে এই সব শিক্ষা ঢুকিয়ে দিয়ে ইসলামকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ইসলামকে ধ্বংস করা হয়নি। আজকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে, ডাক্তার হচ্ছে, ইউএনও হচ্ছে, সচিব হচ্ছে। 

শুক্রবার বিকালে বিরল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সে সময়ের সিদ্ধান্তের কারণে আজকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরাও সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হতে পারছে। শেখ হাসিনার আমলেই দেশের ৫০০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। বায়তুল মোকারম জাতীয় মসজিদে সুউচ্চ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। শুধু ইসলাম ধর্মের জন্যই নয়, সব ধর্মের জন্য তিনি যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন। যেটা হচ্ছে ইসলামের মূল মর্ম যে মানবতার ওপরে কোনো ধর্ম নাই। সেই মানবতার দিকে শেখ হাসিনা যখন পদক্ষেপ নিচ্ছেন, তখন তারা দেশের মধ্যে তাণ্ডব সৃষ্টি করেছেন। ২০১৩ সালের ৫ মে সাদেক হোসেন খোকা শাপলা চত্বরে যেভাবে বাংলাদেশে তাণ্ডব সৃষ্টি করেছিল, একইভাবে তাণ্ডব করে বাংলাদেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে হেফাজত, জামায়াত ও বিএনপি অপচেষ্টা করছে, কিন্তু পারেনি।

খালিদ মাহমুদ বলেন, করোনার জন্য যখন সারা দেশের মানুষ যুদ্ধ করছে, করোনাকে মোকাবিলা করছে, তখন তারা মানুষকে জ্বালিয়ে দিচ্ছে, পুড়িয়ে দিচ্ছে, এটা কি কোনো ইসলামের অংশ হতে পারে? এটা ইসলাম হতে পারে না। এরা একই কাণ্ড করেছে ১৯৭১ সালে। কাজেই সরকার আজকে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই একটা স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। পাশাপাশি আমাদের করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আওয়ামী লীগ ও সরকারি কর্মকর্তারাও মাঠে নেমে কাজ করছেন। কৃষকদের পাশে থেকে ধান কেটে তুলে দিতে সহায়তা করা হচ্ছে। অথচ করোনার সময় অন্যান্য যারা শুধু ফেসবুক আর রেডিও টেলিভিশনে শুধু সরকারের সমালোচনা করেই যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী ভারত রাষ্ট্র আমাদের প্রতি যেভাবে এগিয়ে এসেছে, তাদের এ পরিস্থিতিতেও আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের পক্ষ থেকে ভারতের জনগণের জন্য সাহায্য সহযোগিতা পাঠিয়েছেন। ইতোপূর্বে নেপালের ভূমিকম্পের সময় বাংলাদেশ থেকে এমনকি এই দিনাজপুর থেকেও চাল পাঠিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। শ্রীলংকার দুর্যোগের সময়ও সহযোগিতা পাঠানো হয়েছে। গত ২-৩ বছর যাবত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এটাই হচ্ছে ইসলাম। যে কোনো ধর্মের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে মানবতা। যেখানে এমন একজন নেতা (শেখ হাসিনা) সরকারপ্রধান আছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন সহায় হবেন। কারণ ইতোমধ্যেই আমরা দেখেছি আমাদের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। 

তিনি বলেন, আমি সৈয়দপুরের ইউএনওকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিরলের ইউএনওকে জিজ্ঞাসা করলাম শনাক্ত বিবেচনায় আমাদের করোনা পরিস্থিতি পার্শ্ববর্তী দেশের চেয়েও অনেক ভালো। নিশ্চয়ই এটা ধীরে ধীরে আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে। আমরা যারা মাঠে-ঘাটে আছি, আমরা দায়িত্ব নিয়েই কাজ করে যাব। 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে দায়িত্ব আছে, অন্য কোনো দলের নেতাকর্মীদের সে দায়িত্ব নেই। তাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আজ বিশ্বে নেতৃত্বের রোল মডেলে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন নৌপ্রতিমন্ত্রী।

বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মো. সবুজার সিদ্দিক সাগর। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায়। 

অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নুরজামানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিনাত রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাবের মো. সোয়াইব, ওসি শেখ নাসিম হাবিব, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন সাজু, সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ভুট্টু প্রমুখ। 

এর আগে প্রতিমন্ত্রী বিরল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তরের শুভ উদ্বোধন এবং নির্মাণাধীন বিরল মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় সেখানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড