সম্মানী ভাতা চাওয়ায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে মেম্বারকে মারধর
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
সম্মানী ভাতা চাওয়ায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে মেম্বারকে মারধর
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

সম্মানী ভাতা চাওয়ায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে মেম্বারকে মারধর

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৬ জন পড়েছেন

৫ বছরের বকেয়া সম্মানী ভাতা চাওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার ক্যাডারদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন একজন মেম্বার। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর সদরের দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদে।

দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং সাধারণ ওয়ার্ডের মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লাল মিয়ার অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বারদের জন্য সরকার মাসিক ৮ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা করেছেন। এর মধ্যে সরকারিভাবে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা পরিশোধ করার নিয়ম রয়েছে। সরকারিভাবে ৩ হাজার ৬০০ টাকা প্রতিমাসে তারা পেয়েছেন।

২০১৬ সালে এই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে কোনো সম্মানী ভাতা প্রদান করা না হলেও সব মেম্বারদের ভাতার টাকা চেয়ারম্যান ও সচিব যোগসাজশে আত্মসাৎ করেছেন।

২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন পরিষদের ১২ জন মেম্বার। মেম্বারদের সম্মানী ভাতার অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেন।

সদর উপজেলার তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা বেগম চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনা তদন্ত করেন। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে জামালপুর স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালকের কাছে। রহস্যজনক কারণে তদন্ত রিপোর্ট লাল ফিতায় বন্দী রয়েছে।

ইউপি মেম্বার লাল মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের কাছে সম্মানী ভাতা দ্রুত প্রদানের দাবি জানান। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যানের ক্যাডাররা তার নির্দেশে ইউপি মেম্বার লাল মিয়াকে সব মেম্বারের সামনেই মারধর করেন।

এক পর্যায়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে পরিষদ থেকে বের করে দেন। ভবিষ্যতে সম্মানী ভাতা নিয়ে কথা বললে জিভ কেটে দেওয়ার হুমকি দেন চেয়ারম্যান।

উত্তেজিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান উচ্চস্বরে বলেন, এসব দরখাস্ত করে লাভ নেই, সব তিনি খেয়ে ফেলার ক্ষমতা রাখেন।

এ ঘটনায় ইউপি মেম্বার লাল মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান টেলিফোনে বলেন, লাল মিয়া মেম্বারের অভিযোগ সঠিক না, মিথ্যা বানোয়াট। তাকে মারধর করা হয়নি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড