অবশেষে পিআইও অফিসের চেয়ার ছাড়তে হল শামসুল হককে
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
অবশেষে পিআইও অফিসের চেয়ার ছাড়তে হল শামসুল হককে
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

অবশেষে পিআইও অফিসের চেয়ার ছাড়তে হল শামসুল হককে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮ জন পড়েছেন

চাকরি থেকে অবসরে গিয়েও পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শামসুল হক চেয়ার না ছেড়ে বহাল তবিয়তে টিআর-কাবিটার প্রকল্প থেকে ঘুষ-বাণিজ্য করছিলেন।

তার থেকে রক্ষা পায়নি মসজিদ-মাদ্রাসাও। সেই বরাদ্দেরও ৩০-৪৫ শতাংশ ভাগ নিতেন তিনি। অবশেষে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর শুক্রবার বিদায় ঘণ্টা বেজেছে তার।

শামসুলের ঘুষ-বাণিজ্য নিয়ে গত ২৮ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট সংস্করণে ‘মসজিদ-মাদ্রাসার বরাদ্দেও ভাগ নেন শামসুল’ এবং অনলাইন সংস্করণে ‘মসজিদ-মাদ্রাসার বরাদ্দেও ভাগ বসান অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারী’ শীর্ষক শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি নজরে এলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে এবং এনিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি অবসরে যাওয়ার পরও কর্মস্থল না ছেড়ে শামসুল নিয়মিত অফিস করতেন। কিন্তু ঘুষ-বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশের পর তাকে অফিস না করতে নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে শুক্রবার সকালে শামসুল কর্মস্থল ছেড়ে নিজ গ্রামের বাড়ি দুমকি উপজেলার লেবুখালীর কার্তিকপাশা গ্রামে চলে যান বলে জানান পিআইও হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, পিআইও অফিসে জনবল সংকট থাকায় প্রক্রিয়াধীন কাজ সম্পন্ন করতে তাকে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনার পর ইউএনওর নির্দেশে তাকে অফিস ছাড়তে বলা হয়। কাগজপত্র বুঝিয়ে দিয়ে সে নিজ গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন।
 
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, যুগান্তরের সংবাদটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং আমাদের নজরে এসেছে। এরপরই শামসুলকে অফিস আসতে নিষেধ করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মহোদয় জানান এবিষয়ে তদন্ত করার জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন। এখন তদন্তপূর্বক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড