১০ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া সেতুটি
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
১০ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া সেতুটি
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

১০ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া সেতুটি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৯ জন পড়েছেন

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের হারিয়াউন্দ গ্রামে বন্যায় ধসে যাওয়া সেতুটি প্রায় দশ বছরেও সংস্কার হয়নি। সংযোগ সড়কটিও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। 

ধসে পড়া সেতুটি এখন ওই এলাকার মানুষের ভোগান্তির কারণ। কিন্তু তা দেখার কেউ নেই। বিচ্ছিন্ন সংযোগ সড়কটিতেও মাটি না দেয়ার অভিযোগ স্থানীয় ভুক্তভোগীদের। বিরিশিরি ইউনিয়নের হারিয়াউন্দ-গাওকান্দিয়া বাজার সড়কটির এ সেতুটি দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের। 

স্থানীয়রা জানান, দুর্গাপুরের বিরিশিরি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি দীর্ঘ দিনেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে গ্রামীণ জনপদের মানুষ রয়েছে ভোগান্তিতে। বিশেষ করে, ওই ইউনিয়নের এলজিএসপি (লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট) প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মিত বিভিন্ন জায়গার বক্স কালভার্ট অনিয়মের কারণে বছর যেতে না যেতেই ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অচল থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। 

হারিয়াউন্দ গ্রামের মো. সোহাগ রানা ও নূরুল আমিন বাড়ইপাড়া গ্রামের শিক্ষক এমদাদুল হক নয়ন বলেন, সেতুটির কারণে গ্রামীণ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে ঘরবন্দি দিন কাটে অনেক পরিবারের। প্রায় দশ বছর ধরে এভাবে পড়ে থাকা ব্রিজটি কবে আবার আলোর মুখ দেখবে জানি না। আর বছরের পর বছর শেষ হলেও ওই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারের কাজে হাত দেয়নি কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ করলে এলাকাবাসীর দুর্দশা কমবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ওই জায়গাটি কয়েকবার পরিদর্শন করেছি। ৬০ ফুট দৈর্ঘের সেতু নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওইখানে বন্যার প্রবল স্রোতের কারণে এ রকম ব্রিজ টেকসই হবে না। এখানে গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রুহু জানান, আমি পিআইওর মাধ্যমে পরিদর্শন করেছি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর এর আওতায় গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করাও সম্ভব নয়। কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম মৃধা বলেন, সব উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করতে চাইলে এমপির ডিও লাগে। তাছাড়া কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই সেতুটি পড়ে রয়েছে। এটি আমি দেখেছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে একটি গার্ডার ব্রিজের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড