সমালোচনার জবাবে যা বললেন সারেগামাপার চ্যাম্পিয়ন অর্কদীপ
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
সমালোচনার জবাবে যা বললেন সারেগামাপার চ্যাম্পিয়ন অর্কদীপ
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

সমালোচনার জবাবে যা বললেন সারেগামাপার চ্যাম্পিয়ন অর্কদীপ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫১ জন পড়েছেন

শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অর্কদীপ। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন নীহারিকা এবং তৃতীয় হয়েছেন বিদীপ্তা। 

তবে দর্শকদের ভোটে বিজয়ী হয়েছেন অনুষ্কা।  অর্কদীপকে চ্যম্পিয়ন মেনে নিতে পারছেন দর্শকরা। 

সাত মাস ধরে যারা এ অনুষ্ঠান দেখেছেন, তাদের মধ্যে একটি অংশ মনে করে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা অনুষ্কার। আরেকটি পক্ষ মনে করে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা নীহারিকার।

এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকে প্রচণ্ড রকমের গালাগালও করছেন। বিচারকদের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন অর্কদীপকেও সমালোচনার তীর সইতে হচ্ছে।

এসব কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অর্কদীপ মিশ্র। সংগীতের এত বড় একটি প্রতিযোগিতায় এত এত প্রতিযোগীকে পিছে ফেলে বিজয়ী হয়েও সেটা উদ্যাপন করতে পারছেন না। দুদিন চুপচাপ থেকে বুধবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে সমালোচনার জবাব দেন অর্কদীপ। 

ফেসবুক লাইভে অর্ক বলেন, ‘অনেক শুভেচ্ছা পেয়েছি। সবাইকে ধন্যবাদ জানানো দরকার ছিল, কিন্তু সেটা হয়ে ওঠেনি। কারণ, আমার দুটো হাত, একটা ফোন, এ জন্য আমি দুঃখিত। যদিও যে কজনকে পারা যায় আমি চেষ্টা করেছি রিপ্লাই দিতে।’ প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এবারের প্রতিযোগিতাটা কেবল একটা অনুষ্ঠান ছিল না, এটা ছিল একটা যুদ্ধ। যখন সব মানুষ প্রাণের ভয়ে ঘরবন্দি ছিল, সে রকম একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা এ অনুষ্ঠান শুরু করেছিলাম। এত বড় একটা রিয়েলিটি শোকে সাত-আট মাস টেনে নিয়ে আসার পর একটা রেজাল্ট পেয়েছি। সেই রেজাল্টে কেউ খুশি, কেউ অখুশি, সেটাই স্বাভাবিক। এ নিয়ে আমার কোনো মত নেই। অনেকে দেখছি আমার পক্ষে বলছেন, সেটা আমার ভালো লাগছে। যারা আমার বিপক্ষে বলছেন, সেটাও আমার ভালো লাগছে। শিল্পীর সার্থকতা সেখানেই, যখন তার কর্ম আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে। সেই আলোচনা সব সময় একজনের পক্ষেই যাবে, শুভকামনায় ফোন ভরে উঠবে, ব্যাপারটা সে রকম নয়। যাঁরা আলোচনা-সমালোচনা করছেন সবার জন্য ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা। এই জন্য যে আপনারা কাউকে না কাউকে সাপোর্ট করছেন, আলটিমেটলি সারেগামাপাকেই সাপোর্ট করছেন। আপনারা অনুষ্ঠানটি দেখেছেন বলেই আমাদের অস্তিত্ব টিকে রয়েছে।’

মানুষের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রসঙ্গে অর্কদীপ বলেন, ‘মানুষের হাতে এখন ফোন, ইন্টারনেট। এখন মানুষ শচীন টেন্ডুলকারকেও ছাড়ে না। জাদেজা একটা রান নিতে ভুল করলে তাঁর ফ্যামিলিকেও হেনস্তা করা হয়। তারা ওই মাপের ব্যক্তিত্ব হয়েও বাদ যান না, সেখানে আমি তো কিছুই না। সেটা আশ্চর্যের কিছু না। আমার লড়াইটা শুরু হয়েছিল আরও আগে। আমি স্বাধীন শিল্পী হিসেবে আমার সংগীতযাত্রা শুরু করেছিলাম। “দ্য ফোক ডায়রিজ” নামে আমাদের একটা ব্যান্ড আছে। আমাদের একটা মিউজিক ভিডিও জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। ‘খ্যাপা শিপ’ নামে একটা ভিডিও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ২০১৮ সালে। প্রতিষ্ঠিত মিউজিশিয়ানদের খবর সবাই জানে, কিন্তু যারা স্বাধীন মিউজিশিয়ান, তাদের কথা কেউ জানে না। আমি সারেগামাপায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, সেটা তো আমার হাতে ছিল না। যারা এতে অখুশি হয়েছেন তাদের বলি, খেতাব বা পুরস্কার বা আমাকে সেটা দেওয়ার সিদ্ধান্তটা আমার হাতে ছিল না। আমার পরিবার, গুরু বা গ্রুমারদের হাতে ছিল না। তবে আপনাদের মন্তব্য দেখে এখন আমারও মনে হচ্ছে, আমাকে চ্যাম্পিয়ন না করলেই হতো। তাহলে এত অশান্ত পরিবেশ তৈরি হতো না। আমি ব্যক্তিগতভাবে অশান্তিতে নেই। কিন্তু (বিচারক) মিকা সিং, আকৃতি কক্কর, শ্রীকান্ত আচার্য, জয় সরকার, ইমন চক্রবর্তীদের গালমন্দ করা হচ্ছে। কোনো জাজকে যেখানে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, সেখানে আমাকে দেওয়া হবে কেন। শেষ ছয় প্রতিযোগীকেও ছাড়া হচ্ছে না। অনুষ্কার মতো বাচ্চা মেয়েকে ছাড়া হচ্ছে না, আমি তো বকা খাবই।’

সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলার অধিকার আছে, কারণ আপনাদের হাতে স্মার্টফোন আছে, বলতেই পারেন। কিন্তু আমার পরিবার আমার মা-বাবাসহ বাদবাকি মানুষদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ছোট করতে পারেন না। আপনারা নিজেদের ছোট করছেন। এটুকু বিবেচনা করা উচিত যে যাকে-তাকে, যখন-তখন যা খুশি তাই বলা যায় না। পৃথিবীতে এত রকম আইন রয়েছে, এসব ব্যাপার ফেস করার জন্য আইন হওয়া জরুরি। আজ আমার সঙ্গে এ রকম হয়েছে বলে বলছি না। আরও অনেক শিল্পী রয়েছেন, যারা প্রতিনিয়ত অনেক কুরুচিকর মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন। এ রকম একটা আইন হওয়া উচিত, যাতে হাতে ইন্টারনেট আর স্মার্টফোন থাকলেই একটা মানুষ অন্যকে যা খুশি তাই বলতে না পারে।’

গত রোববার জিবাংলায় প্রচারিত হয় সারেগামাপা-২০২০-২১ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্ব। গানের দীর্ঘ লড়াইয়ে বহু প্রতিযোগিকে পেছনে ফেলে এই পর্বে জায়গা করে নেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অর্কদীপ মিশ্র, রক্তিম চৌধুরী, বিদীপ্তা চক্রবর্তী, জ্যোতি শর্মা, নীহারিকা নাথ ও অনুষ্কা পাত্র। 

শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অর্কদীপ। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন নীহারিকা এবং তৃতীয় হয়েছেন বিদীপ্তা। 

তবে দর্শকদের ভোটে বিজয়ী হয়েছেন অনুষ্কা।  অর্কদীপকে চ্যম্পিয়ন মেনে নিতে পারছেন দর্শকরা। 

সাত মাস ধরে যারা এ অনুষ্ঠান দেখেছেন, তাদের মধ্যে একটি অংশ মনে করে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা অনুষ্কার। আরেকটি পক্ষ মনে করে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা নীহারিকার।

এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকে প্রচণ্ড রকমের গালাগালও করছেন। বিচারকদের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন অর্কদীপকেও সমালোচনার তীর সইতে হচ্ছে।

এসব কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অর্কদীপ মিশ্র। সংগীতের এত বড় একটি প্রতিযোগিতায় এত এত প্রতিযোগীকে পিছে ফেলে বিজয়ী হয়েও সেটা উদ্যাপন করতে পারছেন না। দুদিন চুপচাপ থেকে বুধবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে সমালোচনার জবাব দেন অর্কদীপ। 

ফেসবুক লাইভে অর্ক বলেন, ‘অনেক শুভেচ্ছা পেয়েছি। সবাইকে ধন্যবাদ জানানো দরকার ছিল, কিন্তু সেটা হয়ে ওঠেনি। কারণ, আমার দুটো হাত, একটা ফোন, এ জন্য আমি দুঃখিত। যদিও যে কজনকে পারা যায় আমি চেষ্টা করেছি রিপ্লাই দিতে।’ প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এবারের প্রতিযোগিতাটা কেবল একটা অনুষ্ঠান ছিল না, এটা ছিল একটা যুদ্ধ। যখন সব মানুষ প্রাণের ভয়ে ঘরবন্দি ছিল, সে রকম একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা এ অনুষ্ঠান শুরু করেছিলাম। এত বড় একটা রিয়েলিটি শোকে সাত-আট মাস টেনে নিয়ে আসার পর একটা রেজাল্ট পেয়েছি। সেই রেজাল্টে কেউ খুশি, কেউ অখুশি, সেটাই স্বাভাবিক। এ নিয়ে আমার কোনো মত নেই। অনেকে দেখছি আমার পক্ষে বলছেন, সেটা আমার ভালো লাগছে। যারা আমার বিপক্ষে বলছেন, সেটাও আমার ভালো লাগছে। শিল্পীর সার্থকতা সেখানেই, যখন তার কর্ম আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে। সেই আলোচনা সব সময় একজনের পক্ষেই যাবে, শুভকামনায় ফোন ভরে উঠবে, ব্যাপারটা সে রকম নয়। যাঁরা আলোচনা-সমালোচনা করছেন সবার জন্য ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা। এই জন্য যে আপনারা কাউকে না কাউকে সাপোর্ট করছেন, আলটিমেটলি সারেগামাপাকেই সাপোর্ট করছেন। আপনারা অনুষ্ঠানটি দেখেছেন বলেই আমাদের অস্তিত্ব টিকে রয়েছে।’

মানুষের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রসঙ্গে অর্কদীপ বলেন, ‘মানুষের হাতে এখন ফোন, ইন্টারনেট। এখন মানুষ শচীন টেন্ডুলকারকেও ছাড়ে না। জাদেজা একটা রান নিতে ভুল করলে তাঁর ফ্যামিলিকেও হেনস্তা করা হয়। তারা ওই মাপের ব্যক্তিত্ব হয়েও বাদ যান না, সেখানে আমি তো কিছুই না। সেটা আশ্চর্যের কিছু না। আমার লড়াইটা শুরু হয়েছিল আরও আগে। আমি স্বাধীন শিল্পী হিসেবে আমার সংগীতযাত্রা শুরু করেছিলাম। “দ্য ফোক ডায়রিজ” নামে আমাদের একটা ব্যান্ড আছে। আমাদের একটা মিউজিক ভিডিও জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। ‘খ্যাপা শিপ’ নামে একটা ভিডিও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ২০১৮ সালে। প্রতিষ্ঠিত মিউজিশিয়ানদের খবর সবাই জানে, কিন্তু যারা স্বাধীন মিউজিশিয়ান, তাদের কথা কেউ জানে না। আমি সারেগামাপায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, সেটা তো আমার হাতে ছিল না। যারা এতে অখুশি হয়েছেন তাদের বলি, খেতাব বা পুরস্কার বা আমাকে সেটা দেওয়ার সিদ্ধান্তটা আমার হাতে ছিল না। আমার পরিবার, গুরু বা গ্রুমারদের হাতে ছিল না। তবে আপনাদের মন্তব্য দেখে এখন আমারও মনে হচ্ছে, আমাকে চ্যাম্পিয়ন না করলেই হতো। তাহলে এত অশান্ত পরিবেশ তৈরি হতো না। আমি ব্যক্তিগতভাবে অশান্তিতে নেই। কিন্তু (বিচারক) মিকা সিং, আকৃতি কক্কর, শ্রীকান্ত আচার্য, জয় সরকার, ইমন চক্রবর্তীদের গালমন্দ করা হচ্ছে। কোনো জাজকে যেখানে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, সেখানে আমাকে দেওয়া হবে কেন। শেষ ছয় প্রতিযোগীকেও ছাড়া হচ্ছে না। অনুষ্কার মতো বাচ্চা মেয়েকে ছাড়া হচ্ছে না, আমি তো বকা খাবই।’

সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলার অধিকার আছে, কারণ আপনাদের হাতে স্মার্টফোন আছে, বলতেই পারেন। কিন্তু আমার পরিবার আমার মা-বাবাসহ বাদবাকি মানুষদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ছোট করতে পারেন না। আপনারা নিজেদের ছোট করছেন। এটুকু বিবেচনা করা উচিত যে যাকে-তাকে, যখন-তখন যা খুশি তাই বলা যায় না। পৃথিবীতে এত রকম আইন রয়েছে, এসব ব্যাপার ফেস করার জন্য আইন হওয়া জরুরি। আজ আমার সঙ্গে এ রকম হয়েছে বলে বলছি না। আরও অনেক শিল্পী রয়েছেন, যারা প্রতিনিয়ত অনেক কুরুচিকর মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন। এ রকম একটা আইন হওয়া উচিত, যাতে হাতে ইন্টারনেট আর স্মার্টফোন থাকলেই একটা মানুষ অন্যকে যা খুশি তাই বলতে না পারে।’

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড