আ.লীগ নেতার বাড়িতে লাশ, ওসিকে শোকজ
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
আ.লীগ নেতার বাড়িতে লাশ, ওসিকে শোকজ
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

আ.লীগ নেতার বাড়িতে লাশ, ওসিকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৫ জন পড়েছেন

গাইবান্ধার পাদুকা ব্যবসায়ী হাসান আলী হত্যার ঘটনায় দায়িত্বহীনতার অভিযোগে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মজিবর রহমান ও এসআই মোশাররফ হোসেনকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া থানার ওসি মো. মাহফুজার রহমানের কাছে আত্মপক্ষের সমর্থনে কারণ দর্শাও নোটিশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে পুলিশের তদন্তকারী টিম তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সন্ধ্যায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওই নির্দেশনা জারি করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম গত ১১ এপ্রিল হাসান আলী মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাহাত গাওহারীকে আহ্বায়ক এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল খায়ের ও পুলিশ পরিদর্শক (ডিআই-ওয়ান) আব্দুল লতিফকে সদস্য করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ সুপারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উল্লেখিত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ মার্চ পাদুকা ব্যবসায়ী হাসান আলীকে অপহরণ করেন গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত উপ-দপ্তর সম্পাদক চিহ্নিত দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। এরপর তাকে উদ্ধারের দাবিতে হাসানের স্ত্রী বিথী বেগম থানায় অভিযোগ করলে মাসুদ রানার বাড়ি থেকে হাসান আলীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে পুলিশের দায়িত্বহীনতার কারণে থানা চত্বর থেকে পুনরায় মাসুদ রানা তার সহযোগীদের নিয়ে হাসান আলীকে জোর করে তার বাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

সেখানে তাকে প্রায় এক মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। এরপর গত ১০ এপ্রিল শনিবার মাসুদ রানার বাড়ির টয়লেট থেকে ব্যবসায়ী হাসান আলীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

হাসান আলী মৃত্যুর আগে মোবাইল থেকে খুদেবার্তায় তার স্বজনদের জানান, মাসুদ রানা তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করে এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তার কাছ থেকে মিথ্যা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেয়।

এলাকাবাসীর ধারণা, নির্যাতনের ফলে হাসান আলীর মৃত্যু হয়েছে। পরে তার লাশ টয়লেটে ঝুলিয়ে রাখা হয়। হাসান আলী মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ মাসুদ রানাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে নিহতের স্ত্রী বিথী বেগম বাদী হয়ে দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানা এবং পাদুকা ব্যবসায়ী রুমেন হক ও খলিলুর রহমান বাবুকে আসামি করে সদর থানা পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মাসুদ রানাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালত থেকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে গত ১১ এপ্রিল দলীয় পদ থেকে মাসুদ রানাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, এ ঘটনার পরপরই হাসান আলী হত্যার বিচার দাবিতে ফুঁসে ওঠে গাইবান্ধার সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধন, বিক্ষোভ, স্মারকলিপিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখে রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে গঠন করা হয় হাসান হত্যা প্রতিবাদ মঞ্চ।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড