1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  12. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
প্রতি টেন্ডারে অতিরিক্ত ব্যয় ৬৯ কোটি টাকা!
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

প্রতি টেন্ডারে অতিরিক্ত ব্যয় ৬৯ কোটি টাকা!

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১
  • ২৯২ জন পড়েছেন

বিদেশ থেকে সরকারিভাবে সার আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পরিবহণে প্রতি টেন্ডারে প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার (৬৯ কোটি টাকা) অতিরিক্ত খরচ দেখিয়ে ভর্তুকির অর্থ নয়ছয়ের তথ্য ফাঁস হয়েছে।

এ প্রক্রিয়ায় বিএডিসির একশ্রেণির কর্মকর্তা ফুলেফেঁপে উঠলেও তাদের টিকিটিও স্পর্শ করা যাচ্ছে না। সরকার কৃষি খাতে বার্ষিক প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়।

কৃষক ও কৃষির অব্যাহত উন্নয়নে সরকার পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে সার আমদানি করে। দেশে আনার পর ওই সার ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের হাতে হাতে পৌঁছে দেয় সরকার।

বিদেশ থেকে সার আমদানির জন্য আন্তর্জাতিক পরিবহণ ঠিকাদার নিয়োগে টেন্ডার আহ্বান করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।

কিন্তু টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী কোন ঠিকাদার কাজ পাবে, তা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)।

আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিএডিসির কতিপয় কর্মকর্তা আইনের মারপ্যাঁচ দেখিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের অধিক মূল্যে কাজ পাইয়ে দিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করছে।

এমনকি পছন্দের ঠিকাদার কাজ না পেলে খোঁড়া অজুহাতে পুনঃটেন্ডার আহ্বানেরও নজির আছে। 

পরিবহণ ঠিকাদার সূত্রে জানা যায়, মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন সার মোংলা/চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানি করার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক পরিবহণ টেন্ডার আহ্বান করা হয় (টেন্ডার নম্বর ১৮.১৬.০০০০.৩৭৩.২.০৯২.২১ / Comc-02022021)।

যার সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতি টন সার পরিবহণের জন্য ৭৬ মার্কিন ডলার দর দেয়। কিন্তু ওই দরপত্রে বিএডিসির সিন্ডিকেটের ঠিকাদাররা অংশগ্রহণ করতে না পারায় এবং এতে টেন্ডারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারীদের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করে পছন্দের ঠিকাদারকে অতিরিক্ত দরে পাইয়ে দেওয়া হয়।

এ প্রক্রিয়ায় ৭৬ মার্কিন ডলারের জায়গায় ১০৭.৬০ ডলার হারে ঠিকাদারকে পরিশোধ করে সরকারের প্রায় ৯ লাখ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়।

একই নিয়মে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে আমাদের দেশীয় বন্দরে ডিএপি সার পরিবহণ টেন্ডারের জন্য (টেন্ডার নং ১৮.১৬.০০০০.৩৭৩.০২.০৯১.২১/-০২০৩২০২১) সর্বনিম্ন দর পড়ে ৩৯ মার্কিন ডলার।

কিন্তু টেন্ডার কমিটি সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করে। এবারও নিম্ন দরদাতাকে ৪৯.৫০ ডলারে কাজ না দিয়ে পছন্দের লোককে ৭১.২৫ মার্কিন ডলারে পরিবহণ ঠিকাদারের কাজ পাইয়ে দেয়।

এই প্রক্রিয়ায় বিএডিসি তথা সরকারের অতিরিক্ত ৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার পরিশোধ করতে হয়। এরপর মরক্কো থেকে তৃতীয় চালানে ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত টেন্ডারে (রেফারেন্স নং ১৮.১৬.০০০০.৩৭৩.০২.০৯৩.২১) টিএসপি সার পরিবহণে ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ৮৯.৩৪ মার্কিন ডলারে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে বিএডিসির সদস্য (পরিচালক) ড. একেএম মুনিরুল হক যুগান্তরকে বলেন, সরকারি পর্যায়ে বিদেশ থেকে যত সার আমদানি করা হয় তার জন্য জাহাজ ভাড়া করে দেয় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।

আবার জাহাজ বন্দরে এলে নানা জটিলতা তথা স্বাভাবিক খালাস প্রক্রিয়ায় ক্লিয়ারেন্স না দিয়ে বাধা সৃষ্টি করে বিএসসি। টেন্ডারের দায়দায়িত্বও বিএসসির।

সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সর্বনিম্ন দরদাতা নবাব কোম্পানিকে (যার বর্তমান নাম এনসি) বিএডিসির পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কারণ এই কোম্পানিটি বিএডিসির আমদানীকৃত সারের মধ্যে প্রথমে ৬ হাজার মে. টন সার বুঝিয়ে দেয়নি। পরবর্তী সময়ে এক হাজার টন বুঝিয়ে দিলেও এখনো ৫ হাজার টন পাওনা রয়েছে। ফলে তাদের প্রতি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবৎ আছে।

এ ব্যাপারে নবাব অ্যান্ড কোম্পানির স্থানীয় প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন বলেন, পাঁচ বা ছয় হাজার টন নয়; ১৪শ’ টন সার বিএডিসিকে বুঝিয়ে দিতে বাকি আছে।

যে জাহাজের সার পাওনা আছে, সেই জাহাজটি মোংলা বন্দরে দুর্ঘটনায় পরলে অনেক সার নষ্ট হয়। যে কারণে আদালতে মামলা হয়, যা এখনো চলমান আছে।

আর যে পরিমাণ সার পাওনা আছে, তা মামলার আলামত রাখার স্বার্থে বিএডিসিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া ওই সারের অনুকূলে বিএডিসির কাছে নবাব কোম্পানির ৯ লাখ ডলার জামানত হিসাবে জমা আছে।

নবাব ছাড়া আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছে বিএডিসির প্রচুর সার পাওনা আছে। তা সত্ত্বেও তাদেরকে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হচ্ছে। তাই বিএডিসির ওই বক্তব্য সঠিক নয়।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বাধিক জনপ্রিয়

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড