স্মার্টকার্ড বিতরণে টাকা, ছবি তোলায় সাংবাদিককে আটকে রাখলেন চেয়ারম্যান
  1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  9. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : Sobuj Ali : Sobuj Ali
স্মার্টকার্ড বিতরণে টাকা, ছবি তোলায় সাংবাদিককে আটকে রাখলেন চেয়ারম্যান
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

স্মার্টকার্ড বিতরণে টাকা, ছবি তোলায় সাংবাদিককে আটকে রাখলেন চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১
  • ৪৬৪ জন পড়েছেন

স্মার্টকার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) বিতরণে বক্স ও কমপার্টমেন্ট নম্বর দিয়ে টাকা নেওয়ার ছবি তোলায় মিশন আলী নামে এক সাংবাদিককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপুর বিরুদ্ধে।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে রায়গ্রাম বাণীকান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিক মিশন আলী একাত্তর টেলিভিশনের কালীগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক যশোরের স্টাফ রিপোর্টার।

জানা গেছে, নাগরিকদের কাছ থেকে বক্স ও কমপার্টমেন্ট নম্বর দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় একদল যুবক। এ সময় রায়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু এক চান আলী নামে যুবককে ইউনিয়নের দফাদার দিয়ে মারধর করে।

এ সময় ছবি তোলায় সাংবাদিক মিশন আলীর ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে লাঞ্ছিত করে একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করে।

সাংবদিক মিশন আলী বলেন, উপজেলার ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপুর লোকজন স্মার্টকার্ড বিতরণের বক্স ও কমপার্টমেন্ট নম্বর দেওয়ার কথা বলে নাগরিকদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেয়। এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এসময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে চান আলী নামে এক যুবককে মারধর করে দফাদার।

এ সময় আমি ছবি তুলি। তখন চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। চেয়ারম্যানে নিজে আমাকে একটি কক্ষে আটক করে রাখে। এ সময় তিনি আমার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি আমি অন্য সাংবাদিকদের জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে।

আলী হোসেন অপু জানান, একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সাংবাদিককে আটক করার ৫ মিনিট পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

কালীগঞ্জ থানার এসআই আবুল কাশেম জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একটি কক্ষে সাংবাদিককে দেখতে পাই। পরে উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণা রাণী সাহা জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। চেয়ারম্যান তাকে বলেছেন, আটকের ৫ মিনিট পর সাংবাদিককে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড