1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১
  • ১০৫ জন পড়েছেন

ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার কসবায় গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মান্নান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পাঁচ ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কসবা পৌর শহরের নতুনবাজার আলতাফ প্লাজা কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগীরা এ অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতসহ জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় সাংসদ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের চাপিয়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে মো. আবদুল হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মান্নান জাহাঙ্গীর পেশাগতভাবে লাইসেন্সধারী একজন জনশক্তি রপ্তানিকারক। তার সঙ্গে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে পরিচয় হয়। ২০০৫ সালে মান্নান জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন তার কাছে ইরাকের ভিসা আছে। তিনি তার মাধ্যমে লোক পাঠাতে পারবেন। প্রত্যেককে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা করে দিতে হবে।

তিনি বলেন, ওই হিসাবে তার মাধ্যমে চকচন্দ্রপুর গ্রামের বাসু মিয়া, দারু মিয়া, টিঘরিয়া গ্রামের শিশু মিয়া, গুরুরিয়ারুপ গ্রামের হাসেম মিয়া ও চাপিয়া গ্রামের আলমগীরকে ইরাক পাঠানোর জন্য ২০০৫ সালে ৫ অক্টোবর ১৭ লাখ টাকা মান্নান জাহাঙ্গীরকে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এ সময় তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়েছেন চেয়ারম্যান। ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর আরও এক লাখ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ওই লোকজনকে এখনো ইরাক পাঠাননি। এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। পরে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও চেয়ারম্যান টাকা ফেরত দেয়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

আবদুল হক আরও বলেন, টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বললে তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দেয়া হয়েছে। এমনকি তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণামূলক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে একটি মামলা করেছেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুরুরিয়ারুপ গ্রামের সিরাজ মিয়া ও চকচন্দ্রপুর গ্রামের দারু মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম।

গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মান্নান জাহাঙ্গীর মোবাইল ফোনে বলেন, ২০০৩ থেকে ২০০৫ সালে আবদুল হকের সঙ্গে তার কিছু ব্যবসা ছিল। ১৬ বছর ধরে তার সঙ্গে আর কোনো লেনদেন নেই। বর্তমানে তার কাছে কোনো টাকা পয়সাও পাবে না। হঠাৎ করে তার নামে মিথ্যা মামলা করেছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড