1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়, মাদকের পরিদর্শক প্রত্যাহার
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়, মাদকের পরিদর্শক প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১
  • ১৭৪ জন পড়েছেন

এক যুবককে ধরে নিয়ে নির্যাতন ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক আবদুর মালেক তালুকদারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক পরিতোষ কুমার কুন্ডু।

তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে আবদুর মালেক তালুকদারকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মামুন স্বাক্ষরিত ১০ মার্চের চিঠিটি ১১ মার্চ ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

পরিতোষ কুমার কুন্ডু বলেন, মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে এক যুবককে মারধরের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় আমাকে।

তিনি বলেন, মারধরের শিকার যুবকের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তার কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়নি। অথচ তাকে ফাঁসিয়ে নির্যাতন করেছেন আব্দুল মালেক তালুকদার। ওই যুবককে আটকের ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটও হয়ে গেছে। মামলাটি বিচারের শেষ পর্যায়ে। মামলা নিয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না। দ্রুত সময়ে এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আবদুল মালেক তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হবে।

বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি কক্ষে মারুফ নামের এক যুবককে হাতকড়া পরিয়ে নির্যাতন করছেন মালেক তালুকদার। একপর্যায়ে যুবকের হাতে ইয়াবা দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করছেন; এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক। তদন্ত কমিটি গঠনের এক দিনের মাথায় মালেককে প্রত্যাহার করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোডের বেগের বাড়ির এলাকার বাদশা সিকদারের ছেলে মারুফকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি কক্ষে বেধড়ক মারধর করে স্বীকারোক্তি আদায় করছেন। একপর্যায়ে মারুফের হাতে আবদুল মালেক ইয়াবা দিয়ে স্বীকার করতে বলছেন, এই ইয়াবা মারুফের। ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর পর মারুফের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন মালেক। মামলায় ১৭ দিন কারাভোগ করে বর্তমানে জামিনে রয়েছেন মারুফ। 

মারুফ জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় তাকে আটক করেন আবদুল মালেক। এরপর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মালেক এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কয়েকজন পরিদর্শক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন; যেন কোথাও বক্তব্য না দেন।

এর আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন বরিশালে মাদক নির্মূলে কাজ করা সরকারি এই সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এখানে কর্মরত কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা মাদক নির্মূলের নামে মানুষকে নির্যাতন করেন।

অভিযোগ রয়েছে, চাহিদামতো টাকা না পেলে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মামলায় ফাঁসানো হয়। এই কাজে জড়িত আবদুল মালেক। তিনি পুরো নগরীতে আতঙ্কে পরিণত হয়েছিলেন। সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে অর্থ আদায় করা নিয়মিত কাজ হয়ে ওঠে। 

নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, মালেক তালুকদার সবসময় নিজে মাদক বহন করে ‘টার্গেট পিপলকে’ দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলতেন।

মালেকের নির্যাতনের শিকার এমন আরও তিনজনের সঙ্গে প্রতিবেদকের কথা হয়। তারা বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ী আটকের নামে মালেকের দেওয়া মামলায় অনেক মানুষ এখন আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন।

সূত্রঃ ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড