1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
যেভাবে নির্মিত হয় অস্ট্রিয়ার প্রথম মসজিদ
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০২:০২ অপরাহ্ন

যেভাবে নির্মিত হয় অস্ট্রিয়ার প্রথম মসজিদ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
  • ৭২ জন পড়েছেন

ভিয়েনা ইসলামিক সেন্টার। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার দানিয়ুব নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত। এটি অস্ট্রিয়ার বৃহত্তম মসজিদ ও ইউরোপের প্রাচীনতম ইসলামিক সেন্টার। ইউরোপ মহাদেশে ইসলামের কালজয়ী জীবনব্যবস্থা দিকে আহবানে এই সেন্টারের ভূমিকা সর্বজন স্বীকৃত। ইসলামী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিচর্চায় এর সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে।

ঐতিহাসিক তথ্যে প্রমাণিত যে, নবম শতাব্দীতে অস্ট্রিয়ায় ইসলামের আগমন হয়। তবে প্রথম মসজিদটি নির্মিত হয় বিংশ শতাব্দীতে। ১৯৬৯ সালে ভিয়েনার মুসলিম সোসাইটি মসজিদ নির্মাণের জন্য ৮ হাজার ৩০০ বর্গমিটার জায়গা কিনে। এরপর রাষ্ট্রীয় অনুমতি নিয়ে একই বছর অষ্ট্রিয়ার প্রথম মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অষ্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ট ওয়াল্ডহাইম, ভিয়েনার আর্চবিশপ ও সেদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন আরব দেশের রাষ্ট্রদূতগণ ।

তবে আর্থিক সংকটে পড়ে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে সৌদি বাদশাহ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজের অর্থায়নে ১৯৭৫ সালে পুনরায় শুরু হয় নির্মাণকাজ। চলে দীর্ঘ ৪ বছর। ১৯৭৯ সালের ২০ নভেম্বর পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতের মাধ্যমে উদ্বোধন হয় ইসলামিক সেন্টারটি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অষ্ট্রিয়ার রাষ্ট্রপতি রুডলফ কির্চলেজার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভিয়েনার মেয়র, অস্ট্রিয়ার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন- সৌদি আরবের শিক্ষামন্ত্রী আবদুল আজিজ খুয়াইতির, ভিয়েনার নিযুক্ত আরব দেশগুলোর সব রাষ্ট্রদূত ও অস্ট্রিয়ার প্রায় সব মুসলমান।

এভাবে দীর্ঘ কয়েক শতাব্দীর পর এই ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেদেশের মুসলমানদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হয়। প্রাচীন ইসলামি স্থাপত্য শিল্পের নমুনায় নির্মিত হয় এই সেন্টার। ভেতরের উন্নত কারুকার্য, দৃষ্টিন্দন দৃশ্য, নয়নাভিরাম ক্যালোগ্রাফি, উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ও সুবিন্যস্ত উদ্যান যেকোন দর্শককে মোহিত করে। ফলে সব ধর্মের মানুষের আগমন হয় এই সেন্টারে। সেন্টারের দাওয়াতি কার্যক্রমে মুগ্ধ হয়ে অনেক অমুসলিম ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেয়।

ইসলামিক সেন্টারটিতে একটি বিশাল গ্র্যান্ড মসজিদ ছাড়াও রয়েছে লাইব্রেরি, অডিটোরিয়াম, অফিস, আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্স ও  দৈনিক দরসুল কোরআনের পৃথক পৃথক ব্যবস্থাপনা। মসজিদ ব্যতিত অন্যান্য সব কার্যক্রম সকাল ৯ টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়।

ইসলামিক সেন্টারের দাওয়াতি কর্মসূচিগুলো হলো- যেকোন বিষয়ে মুসলমানদের করণীয় নির্ধারণের জন্য সাধারণ পরামর্শ সভা আয়োজন করা। নও মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক বেসিক ইসলামি শিক্ষা কোর্স। আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্স। শিশু-কিশোর, যুবক ও বয়স্কদের জন্য পৃথক পৃথক সাপ্তাহিক দরস। বিভিন্ন উপলক্ষে  ইসলামি বই ও প্রকাশনা বিতরণ। অমুসলিমদের জন্য সাপ্তাহিক  ইসলাম পরিচিতিমূলক সেমিনারের আয়োজন ইত্যাদি।

লেখক : মুহাদ্দিস, ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদরাসা, কক্সবাজার।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

টুইটারে আমরা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড