1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
খুলনাই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপিত
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন

খুলনাই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপিত

মোঃজিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১
  • ৮৫ জন পড়েছেন

এক হাজার আটশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেড় লক্ষাধিক শিশুদের একযোগে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ উপস্থাপন (অনুকৃতি) এর মাধ্যমে খুলনায় উদযাপিত হলো ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস।


জুম অ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে খুলনার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই ভাষণ উপস্থাপন করে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ (রবিবার) বিকেলে সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ চত্ত্বরে ছিল শিশু বঙ্গবন্ধু সমাবেশ ও  ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উদযাপনের মূল আয়োজন। চাইল্ড ইন্টিগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম এই অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা করে।


শিশুদের একযোগে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উপস্থাপনা শেষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার জন্য এই বাংলায় খন্ডখন্ড অনেক বিপ্লব হয়েছে। ক্ষুদিরাম, ফকির মজনুশাহ, তিতুমীর, সূর্যসেন, শরীয়তউল্লাহসহ অনেকেই রক্ত দিয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতা আসেনি। হাজার বছর ধরে স্বাধীনতার জন্য বাঙ্গালির যে আকুতি সেই স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। যে ভাষণ শুনে সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি এক সারিতে এসে দাঁড়িয়েছিল তা এই ৭ই মার্চের ভাষণ। ৭ই মার্চের ভাষণ নতুন স্বপ্নে উজ্জীবিত করেছিল। অথচ একসময় এ ভাষণ  প্রচারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু ইতিহাসকে কখনও চাপা দেওয়া যায় না। তাই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মতো আর কোন ভাষণ এত বেশিবার প্রচার হয়নি। 


বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এনে দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাস বিকৃতির দিন শেষ। খুলনার এই আয়োজন ৭ই মার্চ কেন্দ্রিক সবচেয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন যা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে যেমন ছড়িয়ে দেবে তেমনি তারা সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সোনার বাংলা। 


খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবীর। 


দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি অফিসের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। 


সকালে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন খুলনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর কমান্ড, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, খুলনা বেতার, মহানগর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের, তাঁতীলীগ’সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মহানগর ও অংগসংগঠনসমূহ, স্কুল-কলেজ, পেশাজীবী সংগঠনসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৭ই মার্চে প্রদত্ত ভাষণ প্রচার করা হয়। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করে নিজস্ব কর্মসূচি উদযাপন করেন। শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনলাইনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বিষয়ে আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়। 


জেলা প্রশাসক জানান, ২০১৯ সালের ৭ মার্চ সহস্র কণ্ঠে (১০০১ জন), ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি মুজিববর্ষের কাউন্ট-ডাউনের সূচনালগ্নে ‘কাউন্ট-ডাউন প্রথম প্রহরে মুজিববর্ষ’ শিরোনামে ১৯২০ জন শিশু বঙ্গবন্ধু ও ১৯২০ জন আলেমের কণ্ঠে এবং সর্বশেষ ২০২০ সালের ৭ মার্চ ১৯ হাজার ২০০ জন শিশু বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে জেলা স্টেডিয়ামে জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ মুখস্থ অনুকৃতি আয়োজন করা হয়েছিল। 

বিগত বছরের মতো এবারও বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে যথাযথ বিবেচনায় খুলনা জেলায় জুম ওয়েবিনারের মাধ্যমে দেড় লক্ষাধিক শিশু বঙ্গবন্ধুর সমন্বয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন (অনুকৃতি) করেছে। 

খুলনা মহানগরীর এবং খুলনার ৯টি উপজেলায় অবস্থিত ১ হাজার ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা সংযুক্ত হবে। প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে অন্যূন ১০০ জন শিশু বঙ্গবন্ধু (ক্ষুদে শিক্ষার্থী) যুক্ত হয়। 

খুলনা মহানগরীর বয়রার ‘খুলনা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে  ‘শিশু বঙ্গবন্ধু সমাবেশ এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন (অনুকৃতি) অনুষ্ঠান’ এর মূল অনুষ্ঠান। 

মূল অনুষ্ঠানস্থলে মহানগরীর শ্রেষ্ঠ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাচিত ১৫১ জন শিশু বঙ্গবন্ধুর (ক্ষুদে শিক্ষার্থী) কণ্ঠে এবং একই সঙ্গে সমগ্র জেলা থেকে জুম ওয়েবিনারে সংযুক্ত ১ লাখ ৫০ হাজার জন শিশু বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে একযোগে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে যে সময়ে ভাষণ দিয়েছিলেন ঠিক একই সময়ে কাউন্ট ডাউনের মাধ্যমে জেলাব্যাপী সমস্বরে ধ্বনিত হয় বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণ।

মূল অনুষ্ঠানস্থলে ১৫১ জন শিশু বঙ্গবন্ধু (ক্ষুদে শিক্ষার্থী) অংশগ্রহণের ব্যাখ্যাটি হলো: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০০ জন + স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী (৫০ বছর পূর্তি) উপলক্ষে ৫০ জন + বাঙালির একমাত্র অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে নির্দেশক ১। 

আর সমগ্র জেলার আয়োজনে ১ লাখ ৫০ হাজার ১৫১ জন শিশু বঙ্গবন্ধু সমাবেশ ধারণাটি এরূপ: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ১০০ বছরকে ১০০০০০ (এক লাখে) রূপান্তর এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ৫০ বছরকে ৫০ হাজারে রূপান্তরের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার- সব মিলিয়ে (১৫০০০০ + ১৫১) জন; সর্বমোট ১ লাখ ৫০ হাজার ১৫১ জন। 

সব শিশু বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান স্থলের সাথে মিল রেখে কর্মসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণপূর্বক সমস্বরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন (অনুকৃতি) করেছে।

খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। খুলনা জেলা তথ্য অফিস বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক ডকুমেন্টারি ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। 

খুলনা জেলার সকল উপজেলায় অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড