1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
ভৈরবে ভ্যাকসিন নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ১২ জন, মুত্যু ১
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

ভৈরবে ভ্যাকসিন নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ১২ জন, মুত্যু ১

মিলাদ হোসেন অপু, কিশোরগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১
  • ৫০৯ জন পড়েছেন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভ্যাকসিন নেবার পর ফের ১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হবার পর অনেকেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন- এমন লোকজন ফের আক্রান্ত হয়েছেন। গেল এক সপ্তাহ ধরে করোনায় আক্রান্তের হার বেড়েই চলেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে এই তথ্য জানাগেছে।

ভৈরব উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬জন। করোনার এই চিত্র স্বাস্থ্য বিভাগকে নতুন করে অস্বস্থিতে ফেলেছে। এই অবস্থায় করণীয় নিয়েও দুঃচিন্তা পেয়ে বসেছে বিভাগটির কর্মরতদের।

স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানায়, মহামারী করোনার জন্য কিশোরগঞ্জের ভৈরব শুরু থেকেই হটস্পট। আক্রান্ত এবং মৃত্যুর দিক দিয়ে জেলার শীর্ষে ভৈরব। তবে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যেতে শুরু করে। আগস্টে এসে পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এছাড়াও চার হাজার ৯৮৬ জনের নমুনা থেকে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৮২৬জনের।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভ্যাকসিন নিয়েছেন পাঁচ হাজার ৪৬১জন। যার মধ্যে তিন হাজার ৫২৬জন পুরুষ এবং নারী এক হাজার ৯৩৫জন। ভ্যাকসিন গ্রহণ ও নিবন্ধন হার নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ খুশি থাকলেও ১২জন ফের আক্রান্তের তথ্য অস্বস্থির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভ্যাকসিন নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম শামিম আহমেদ (৬৭)। তিনি পৌর শহরের ভৈরবপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। একই সূত্র জানায়, শামীম ভ্যাকসিন নেন ৮ ফেব্রুয়ারি। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি অসুস্থবোধ করেন এবং শরীরের উপসর্গ দৃশ্যমান হয়। ওই দিনই তিনি কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে পুনরায় পরীক্ষা করা হয় এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি করোনা শনাক্ত হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন সেখানেই তিনি মারা যান।

ভ্যাকসিন নেবার পর ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দ্বিতীয়বারের মতো আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি প্রথমবার আক্রান্ত হবার পর সুস্থ হন। পরে তিনি এসে ভ্যাকসিন নেন। ভ্যাকসিন নেবার কয়েক দিন পর ফের আক্রান্ত হন।

এদিকে ভ্যাকসিন নেবারও মৃত্যু এবং আক্রান্ত হবার তথ্য জানার পর এলাকার নতুন করে করোনা ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের দেওয়া তথ্য মতে, সর্বশেষ এক সপ্তাহে নমুনা দিয়েছেন ১০৬জন। এরমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯জন। অথচ এক মাস আগেও বেশির ভাগ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা থাকত শূন্য। নমুনা দিতে আসা লোকজনের সংখ্যা ছিল খুবই কম।

স্থানীয়দের ধারণা, ভৈরবে হঠাৎ করোনা মাথাচারা উঠার পেছনে মূল কারণ নির্বাচন। এক মাস ধরে ভৈরবে নির্বাচনী ডামাঢোল চলছে। প্রতিদিনি অসংখ্য মানুষজনের উপস্থিতি ছিল মিছিল এবং পথসভায়। আর মিছিল কিংবা পথসভায় অংশ নেওয়া কারোর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার সামান্য উপলব্ধি লক্ষ্য করা যায়নি। স্বাস্থ্য অনুসরণে প্রশাসনের ভূমিকা ছিল কেবলই খাতাকলমে। বর্তমান চিত্রে সবচেয়ে হতাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প: প: কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম।

তিনি আরও জানান, প্রথম কথা হলো ভ্যাকসিন নেবার তিন সপ্তাহ পর শরীরে প্রতিরোধ মতা তৈরি হয়। সেটিও ৫২ থেকে ৬৫ ভাগ। বোস্টার ডোজ প্রয়োগের পর সেটি গিয়ে দাঁড়ায় ৯৫ ভাগ। আমাদের সমস্যা হলো টিকা গ্রহণ করার পর ব্যক্তিটি নিজেকে শতভাগ নিরাপদ ভেবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। এই মুহুর্তে তাঁর পরামর্শ হলো অবশ্যই সবাই যেন শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে এবং টিকা গ্রহণে আগ্রহী হয়। বিশেষ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী অন্তত এক বছর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চলে।

দুঃখ করে খোরশেদ আলম আরও জানালেন, এখন পর্যন্ত ভৈরবে টিকা নেবার জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন সাত হাজার ৮৬১জন। এরমধ্যে এখনো দুই হাজার ৪০০জন টিকা নিতে কেন্দ্রমুখী হননি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড