দম্পতির ২৫ বছরের সুখের সংসার ভাঙতে কাজীর কাণ্ড!
  1. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  2. niloy@nongor.news : Creative Niloy : Creative Niloy
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  6. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  7. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
দম্পতির ২৫ বছরের সুখের সংসার ভাঙতে কাজীর কাণ্ড!
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

দম্পতির ২৫ বছরের সুখের সংসার ভাঙতে কাজীর কাণ্ড!

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৮ জন পড়েছেন

পূর্ব শত্রুতার জেরে এক গৃহবধূর স্বাক্ষর জাল করে তার স্বামীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সাব-কাজীর বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি রংপুরের পীরগঞ্জের ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জোতবাজ গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে। 

অভিযুক্ত কাজী মোশারফ হোসেন ওই গ্রামের সাব-কাজী। ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নুরুল ইসলাম তাকে সাব-কাজী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জোতবাজ গ্রামের মোকছেদ আলী প্রায় ২৫ বছর আগে একই ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের নার্গিস বেগমকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন ছেলে, এর মধ্যে এক ছেলে বিদেশে থাকেন। 

ওই সাব-কাজীর সঙ্গে মোকছেদ-নার্গিস দম্পতির শত্রুতা ছিল। এ সুযোগে গত ১৯ জানুয়ারি মোশারফ হোসেন নার্গিসের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তার স্বামী মোকছেদের জন্য একটি তালাকনামা তৈরি করেন। 

৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামপুলিশ রমজান আলীর মাধ্যমে তালাকনামাটি মোকছেদ আলীকে দেওয়া হয়। এ সময় ওই  দম্পতি বাড়িতেই ছিলেন। 

ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে নার্গিসকে গ্রাম থেকে বের করে দিলে তিনি তার বাবার বাড়ি মহেশপুরে চলে যান।

এ বিষয়ে নার্গিস বেগম যুগান্তরকে বলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে সুখে-শান্তিতে সংসার করছি। তিনজন ছেলেও আছে আমাদের। এক ছেলে বিদেশে থাকে। অথচ কাজী আমার স্বাক্ষর জাল করে আমার স্বামীকে তালাক দেখিয়েছে। আমি তো তালাক দিইনি। 

স্বামী মোকছেদ আলী বলেন, ‌‌‌আমরা একসঙ্গেই আছি। অথচ তালাকনামা দেওয়া হলো। কাজী মোশারফের সঙ্গে আমার শত্রুতা আছে। 

এ বিষয়ে জানতে সাব-কাজী মোশারফ হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি কেটে দেন। 

ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, পরিবারটি কাজীর কুকর্মের শিকার। ইউনিয়নের কাজী নুরুল ইসলামের উচিত ছিল, বিষয়টি খতিয়ে দেখার। তিনি কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারেন না। 

২/১ দিনের মধ্যে সামাজিকভাবে তারা বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। 

সূত্রঃ যুগান্তর

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড