ভৈরবের মেয়রের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা
  1. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  2. niloy@nongor.news : Creative Niloy : Creative Niloy
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  6. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  7. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
ভৈরবের মেয়রের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা
বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

ভৈরবের মেয়রের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৬৪ জন পড়েছেন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার মেয়রসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। 

বুধবার সকালে কিশোরগঞ্জ দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মো. তাবারুক হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 

বাদী তাবারুক ভৈরবের সম্ভুপুর গ্রামের শব্দর আলীর ছেলে। 

এ মামলার এজাহারটির সমন মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলমসহ সব বিবাদী হাতে পেয়েছেন। মামলায় কাউন্সিলর, পুলিশ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিককেও আসামি করা হয়েছে। 

অন্যান্য বিবাদী হলেন– ভৈরব পৌরসভার প্রধান সহকারী মো. ইমাম হোসেন, ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান, বাদল মিয়া, লিয়াকত আলী, আ. হেকিম, আ,লীগ নেতা মির্জা সুলাইমান, পৌর কাউন্সিলর হাবিবুল্লাহ নিয়াজ, কাউন্সিলর দ্বীন ইসলাম, পৌরসভার প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আল আমিন, পুলিশের এসআই মো. মাজহারুল ইসলাম ও সাংবাদিক মিলাদ হোসেন অপু। 

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদী তাবারুক হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফারুক মিয়া নামে এক কর্মচারী ছিলেন। ২০০৯ সালের ৭ মার্চ ওই কর্মচারী ক্যাশের দুই লাখ ১১ হাজার ৫৭৮ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায়। 

পরে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে তাবারুক হোসেন আদালতে মামলা দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে কর্মচারী ফারুক মিয়াকে এক বছর কারাদণ্ড প্রদানসহ তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন। 

এর পর আসামি ফারুক মিয়া মামলাটি উচ্চ আদালতে আপিল করলে আদালত নিম্নআদালতের রায় বহাল রাখেন। এর পর বাদী তার পাওনা টাকা আদায় করতে বাজিতপুর চৌকি আদালতে একটি মামলা করেন। 

আদালত তার বাড়িঘর ক্রোক করে পাওনা টাকা আদায় করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। ওই রায়ের পর বিনাকারণে মামলার ১২ আসামি যোগসাজশ করে বাদী তাবারুক হোসেনকে ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর পৌরসভায় ডেকে এনে মারধর করার পর পুলিশে সোপর্দ করে এবং থানায় একটি মিথ্যা মামলা করে পৌরসভার প্রধান সহকারী ইমাম হোসেন। 

বাদীর অভিযোগ মেয়রের নির্দেশে মামলাটি করা হয়। পরে বাদী দুই মাস ১৭ দিন জেল খাটার পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। এর পর পৌর কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলাটি সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে আদালত খারিজ করে দেন। ঘটনাটি তখন স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে তাবারুক আলীর কোনো বক্তব্য ছাপা হয়নি। এ কারণে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে সাংবাদিক অপুকে মামলায় আসামি করা হয়। পুলিশ ঘটনা তদন্ত না করে মামলা গ্রহণ করে বাদীকে হাতকড়া পড়িয়ে আদালতে চালান দেওয়ায় তাকেও আসামি করা হয়েছে। 

ঘটনায় বাদীর মানসম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে দাবি করে তিনি দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলাটি আদালতে দায়ের করেছেন। 

এ বিষয়ে বাদী তাবারুক হোসেন বলেন, পৌর মেয়র আক্কাস আমার মানসন্মান সমাজে ক্ষুণ্ন করায় ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে অভিযুক্ত করে ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছি। আমি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করছি। 

পুলিশের এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, থানার ওসির নির্দেশে সেদিন আমি তাকে গ্রেফতার করি।  সাংবাদিক মিলাদ হোসেন অপু বলেন, আমি ঘটনায় নিউজ প্রকাশ করেছি। এ কারণে তিনি আমাকে মামলায় আসামি করতে পারেন না। 

ভৈরব পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাস জানান, তাবারুক আলী একজন মিথ্যাবাদী। তাই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি আদালত খারিজ করেছেন।  তিনি বলেন,  বিষয়টি আমি আইনিভাবে লড়ব।

সূত্রঃ যুগান্তর

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড