1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
ছাগল তাড়িয়ে দেয়ায় দোকানির পা ভেঙে দিল চেয়ারম্যানের ভাই
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন

ছাগল তাড়িয়ে দেয়ায় দোকানির পা ভেঙে দিল চেয়ারম্যানের ভাই

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭৬ জন পড়েছেন

ছাগল তাড়িয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর করে দোকানির পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভোলার চরফ্যাশনে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই ও ভাতিজার বিরুদ্ধে। এতে মুদি দোকানিসহ দুইজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার রাতে চরফ্যাশন উপজেলার নজরুলনগর ইউনিয়নের দুর্গম চর নলুয়া স্লুইস গেট বাজার এলাকায় মারধরের এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, উপজেলার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইব্রাহীম হাওলাদার (৫০) ও তার ছেলে সাইফুল হাওলাদার (২৩) স্লুইস গেট বাজারে তাদের হাওলাদার স্টোর নামের মুদি দোকান আছে। সন্ধ্যায় বেচাকেনার সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারের ভাই রিয়াদ, মাকসুদ ভাতিজা ইমনসহ আরও ৫-৬ জন মিলে দোকানি ইব্রাহিম ও তার ছেলে সাইফুল হাওলাদারকে হকিস্টিক, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর জখম করেছে।

আহত ইব্রাহীম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, রুহুল চেয়ারম্যানের দুই ভাই এবং ভাতিজা প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি ছাগল পালন করে। এসব ছাগল বাজারে ও রাস্তাঘাটে ছেড়ে দিয়ে পালন করায় স্লুইস গেট বাজারে মানুষের দোকানপাট ও বাসা বাড়িতে গিয়ে গাছ-গাছালিসহ মুদি দোকান ও কাঁচাবাজারের দোকানে গিয়ে খাবার খেয়ে স্থানীয় জনসাধারণের ক্ষতি করে।

চেয়ারম্যানের প্রভাবে তার ভাই ও ভাতিজারা দুর্গম ওই এলাকায় একাধিক অপকর্মসহ ত্রাস সৃষ্টি করার অভিযোগ করেন স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী।

তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার তার ভাই ও ভাতিজা কর্তৃক মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, উভয়পক্ষই মারামারির সঙ্গে সম্পৃক্ত কিন্তু একপক্ষ মার বেশি খেয়েছে। আহতদের দেখতে আমার ভাই ও ভাতিজা হাসপাতালে গিয়েছে। তাদের ডেকেছি তারা যদি আসে তাহলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সুষ্ঠু সালিশ ফয়সালা করে দেয়া হবে।

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্রঃ যুগান্তর

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড