1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
স্কুলের ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: শিক্ষিকাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:০৯ অপরাহ্ন

স্কুলের ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: শিক্ষিকাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮৩ জন পড়েছেন

সনদ জালিয়াতির দায়ে শেরেবাংলা পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশালের উজিরপুর থানার ওসি জিয়াউল হক।
তিনি জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন পুলিশ পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান। এজাহারের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সহকারী শিক্ষিকা সুরাইয়া ইসলামকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে।

ওসি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষিকা সুরাইয়া ইসলাম উজিরপুর পৌরসভার সংরক্ষিত (১, ২ ও ৩) ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলামের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সুরাইয়া ইসলাম ২০০৭ সালের তৃতীয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদ দিয়ে ২০১২ সালে শেরেবাংলা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (উদ্ভিদ বিজ্ঞান) পদে চাকরি নেন।

তার জমা দেওয়া সনদের রোল ৬১১৬০০২৬ এবং রেজিস্ট্রেশন ৭০১২২৭২। শেরেবাংলা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ২০১২ সালের ২৮ মার্চ সুরাইয়া ইসলাম শিক্ষক পদে আবেদন করেন। ওই বছরের ১১ মে বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ৭ জন প্রার্থী অংশ নেন। সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় নির্বাচনী বোর্ড সুরাইয়া ইসলামকে নিয়োগ প্রদানে ম্যানেজিং কমিটিকে সুপারিশ করে। ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে ১৫ মে সুরাইয়া ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই বছরের ১ নভেম্বর সুরাইয়া এমপিভুক্ত হয়ে ৩১ অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত চাকরি করেন। একপর্যায়ে আমি জানতে পারি সুরাইয়ার শিক্ষক নিবন্ধনের সনদটি জাল।

বিষয়টি এনটিআরসিএকে লিখিতভাবে জানাই এবং ১৬ ডিসেম্বর সুরাইয়া ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করি। ৩০ ডিসেম্বর এনটিআরসিএ সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন শিক্ষক সুরাইয়া ইসলাম জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নিয়েছেন। মূলত তিনি যে রোল ও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে চাকরি নিয়েছেন সেই রোল ও রেজিস্ট্রেশনের প্রকৃত সনদধারীর নাম আবুল হাসনাত মো. রাসেল, পিতা গোলাম হোসাইন বলে জানায় এনটিআরসিএ।
পুলিশের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সুরাইয়া ইসলাম ৮ বছর চাকরিকালীন সরকারি সুবিধা ও স্কুল তহবিল থেকে ১৪ লাখ ৯১ হাজার ৩৭১ টাকা আত্মসাৎ করেন।

সূত্রঃ যুগান্তর

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড