1. ishtiaq@nongor.news : ইশতিয়াক করিম : ইশতিয়াক করিম
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. raihan@nongor.news : দেলোয়ার জাহান রায়হান : দেলোয়ার জাহান রায়হান
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sabbir@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. srity@nongor.news : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১২:১৪ অপরাহ্ন

৬৭ বছর পর বিষাক্ত ইনজেকশনে নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৬ জন পড়েছেন

যুক্তরাষ্ট্রের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা ও তার পেট কেটে গর্ভের শিশুকে অপহরণ করার অভিযোগে এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। প্রায় ৬৭ বছর পর বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দেশটিতে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হল। ৫২ বছর বয়সী লিসা মন্টগোমারিকে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করলে স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩১ মিনিটে মৃত ঘোষণা করা হয়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ কয়েক মাসে তার প্রশাসন ১০টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন বিচার বিভাগ।

গেল বছরের ৮ ডিসেম্বর এই নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে মৃত্যুদণ্ডের তারিখ স্থগিত করা হয়। পরে আপিল বিভাগের তিন বিচারক চলতি মাসের ১২ তারিখে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরুর পর এক নারী মন্টগোমারির মাস্কটি সরিয়ে জিজ্ঞেস করেন, তার কোনো শেষ কথা আছে কি না। জবাবে মন্টগোমারি শান্ত, চাপা কণ্ঠে না বলেন। এরপর আর কোনো কথা বলেননি তিনি।

মন্টগোমেরির আইনজীবী কেলি হেনরি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘রাতে এক ব্যর্থ প্রশাসনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রদর্শনী ছিল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা প্রত্যেকেরই লজ্জাবোধ করা উচিত।’

তিনি আরো বলেন, এক ক্ষতিগ্রস্ত ও বিভ্রান্ত নারীকে হত্যা করার উদ্যোগ থেকে সরকার কিছুতেই থামেনি। লিসা মন্টগোমারির মৃত্যুদণ্ড দেয়ার মতো অপরাধ ছিল না।

লিসা মন্টগোমারি ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ভুক্তভোগী ববি জো স্টিনেটের বাড়িতে আসেন। ঘরে প্রবেশের পর স্টিনেটের গলা টিপে ধরেন। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন স্টিনেট। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পেট থেকে শিশুটিকে বের করে নিয়ে পালিয়ে যান লিসা মন্টগোমারি। তিনি শিশুটিকে তার নিজের বাচ্চা বলে চালানোর চেষ্টা করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হলে একজন বিচারক অপহরণ ও হত্যার দায়ে মন্টগোমারিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানান তার আইনজীবী।

সূত্রঃ সময় নিউজ

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড