1. ishtiaq@nongor.news : ইশতিয়াক করিম : ইশতিয়াক করিম
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. raihan@nongor.news : দেলোয়ার জাহান রায়হান : দেলোয়ার জাহান রায়হান
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sabbir@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. srity@nongor.news : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

সেদিন দিহানের বাসায় একাই গিয়েছিল আনুশকা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৪ জন পড়েছেন

ঘটনার দিন একাই রাজধানীর কলাবাগানে ডলফিন রোডে ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসায় গিয়েছিল মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনা। এমনকি ঘটনার পর দিহান একাই গাড়িতে করে আনুশকাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বাসার ভেতরে ও হাসপাতালে যাওয়ার সময় দিহানের সঙ্গে আর কেউ ছিল না। পুলিশ হেফাজতে দিহানদের বাসার দারোয়ান দুলাল মিয়া এসব কথা জানিয়েছেন। 

ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল মিয়া। রোববার (১০ জানুয়ারি) রাতে কাজে ফেরেন তিনি। সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকালে মামলার সাক্ষী হিসেবে দুলাল মিয়াকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

দুলাল পুলিশকে জানায়, ঘটনার দিন সকাল থেকেই দুলাল দিহানদের বাসার গেটে দায়িত্বরত ছিলেন। ওইদিন বাসায় দিহান ছাড়া আর কেউ নেই বলে সে জানত। আনুমানিক দুপুরের দিকে দিহানদের বাসায় একটি মেয়েকে সে যেতে দেখে। আনুশকা বাসার ভেতরে যাওয়ার আনুমানিক ১ ঘণ্টার মধ্যে তাকে অচেতন অবস্থায় নিয়ে দিহান বের হয়ে আসে এবং গাড়িতে করে চলে যায়।

এদিকে এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, আনুশকা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দিহান ১৬৪ ধারায় যে জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে এর পরিপ্রেক্ষিতে সাক্ষী হিসেবে দুলালকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। দুলাল যেহেতু এ মামলার আসামি নয়, সাক্ষ্য শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন। এরপর কিশোরীকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান। ফাঁকা বাসায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। 

অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় আনুশকার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন। এ ঘটনার মামলায় দিহান গ্রেফতার রয়েছেন। তিনি ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

সূত্রঃ সময় নিউজ

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড