1. ishtiaq@nongor.news : ইশতিয়াক করিম : ইশতিয়াক করিম
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. niloy@nongor.news : Creative Niloy : Creative Niloy
  4. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  6. raihan@nongor.news : দেলোয়ার জাহান রায়হান : দেলোয়ার জাহান রায়হান
  7. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. sabbir@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. srity@nongor.news : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনে ৫৩ হাজার কোটি ডলার ঋণ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৮ জন পড়েছেন

বিশ্বের ৪০টি কোম্পানিকে ৫ বছরের জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে বিভিন্ন ব্যাংক। এই অর্থের পুরোটাই দেয়া হবে প্লাস্টিক উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে। অথচ বিশ্বের নদী ও সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ রুখতে নেই কোন নির্দেশনা।

ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংক প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনে ৫৩ হাজার কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্প আরো বাড়াচ্ছে পরিবেশ দূষণ। কিন্তু প্লাস্টিক দূষণ কমানো কিংবা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করার মতো কোন প্রকল্পে অর্থায়ন বা ঋণ নেই ব্যাংকগুলোর।

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরায় প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ভিভিড ইকোনোমিসের পরিচালক আর প্রতিবেদনের পরামর্শক রবিন স্মেল বলেন, আর্থিক খাতের এখনো এমন কাউকে প্রয়োজন, যে প্লাস্টিক দূষণ রোধে কাজ করার মানসিকতা রাখে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক অব আমেরিকান করপোরেশন, সিটি গ্রুপ এবং জেপি মরগান ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিক বাণিজ্যে অর্থায়ন করেছে। তিনটি ব্যাংক ১৪ হাজার ৪০০ থেকে ১৭ হাজার ২০০ কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানিকে কেমিকেল প্রস্তুতে, পণ্য প্যাকেটজাতকরণে আর কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর বোতল তৈরি করার ক্ষেত্রে। ইউরোপের বারক্লেস আর এইচএসবিসি ব্যাংক প্লাস্টিক পণ্যে অর্থায়ন করেছে ১১ হাজার ৮০০ এবং ৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। তবে এ বিষয়ে কোন ব্যাংকই সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সের সাথে কথা বলতে সম্মত হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার সায়েন্স এজেন্সির এক গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের নিচে অন্তত ১ কোটি ৪০ লাখ টন মাইক্রো প্লাস্টিক বর্জ্য আছে।

সংস্থাটির গবেষণা বলছে, সমুদ্রের নিচে ছোট ছোট প্লাস্টিকের কণা সমুদ্রে ভাসমান প্লাস্টিকের চেয়ে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে যতোই পদক্ষেপ নেয়া হোক না কেন, সমুদ্রে প্রতি বছর লাখ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য পড়ছে। হুমকির মুখে পড়ছে সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন ও পরিবেশ। সেই প্রভাব ঘুরে ফিরে আসছে মানুষের খাদ্যচক্রেও। তাই প্লাস্টিক দূষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে সমুদ্রের বাস্তুসংস্থান, বন্যপ্রাণীর ওপর। স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে মানুষের। প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কাজ যারা করেন কিংবা যারা ব্যবহার করেন, তাদেরও আছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

একটি চালের দানার সমান হয় একটি মাইক্রোপ্লাস্টিকের টুকরার আকার। মাত্র ৫ মিলিমিটার। তাই সামুদ্রিক প্রাণীরা খাবারের সাথে এগুলোও অজান্তেই খেয়ে ফেলে। এই প্লাস্টিকের টুকরোগুলো আসে প্রসাধনী, টুথপেস্ট আর গুড়া সাবান থেকে। খুব দ্রুতই প্লাস্টিক দূষণের লাগাম টানতে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের আহ্বান জানান বিজ্ঞানীরা। শুরুতেই একবার ব্যবহার করা যায়, এমন প্লাস্টিক পণ্য নিষিদ্ধ করতে হবে। সরকার, শিল্প কারখানা মালিকসহ সব শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে প্লাস্টিক দূষণ রোধে কাজ করতে।

সূত্রঃ সময় নিউজ

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড