চালের দাম কি আরও বাড়বে?
  1. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  2. niloy@nongor.news : Creative Niloy : Creative Niloy
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  6. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  7. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
চালের দাম কি আরও বাড়বে?
বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

চালের দাম কি আরও বাড়বে?

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬১ জন পড়েছেন

মজুদ, সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপ ছাড়া চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। এসডিজি প্লাটফরর্মের চালের বাজার নিয়ে অনলাইন আলোচনায় এমন মত দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা।

ধানের উৎপাদনের সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না অভিযোগ করে মিল মালিকরা বলছেন, এবার আমনের ফলন কম হয়েছে, তারওপর মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। সরকারের আমদানি সিদ্ধান্তের পরও চাল আনতে দেরি কেন করা হলো প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা।

মৌসুমের শুরুতে আমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কোনো ঘাটতি থাকবে না এমন তথ্য দেওয়া হলেও মৌসুম শেষে বলা হচ্ছে উৎপাদন কম হয়েছে। বিআরআরআই বলছে, ১৫ লাখ টন উৎপাদন কম হতে পারে। তবে, আউশ, বোরো মিলিয়ে মৌসুম শেষে বছরের জুন মাস নাগাদ এ ঘাটতি কাটিয়ে আরও ৩০ লাখ টন উৎপাদন বেশি হবে। কিন্তু আমনের উৎপাদন কমার প্রভাব রাতারাতি পড়েছে চালের বাজারে। দফায় দফায় দাম বেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত লাগাম টানতে শুল্ক কমিয়ে আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেখানেও কারসাজি বন্ধে শুধু নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকেই আমদানি করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। আমাদানির ঘোষণায় দামের উর্ধ্বগতি কিছুটা থামাতে পারলেও ততদিনে কৃষকের গোলার ধান বিক্রি শেষ।

অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষকরা বলছেন, এবারো আমন মৌসুমে ধান উৎপাদন করে লাভ করতে পারেননি তারা। অনেকেই এবার ধানের বদলে সবজি চাষ করেছেন। উৎপাদন ও সংরক্ষণে সরকারের স্বল্প সুদে বিশেষ কৃষিঋণের দাবি জানান কৃষকরা। আর অভিযোগ করেন চাষাবাদে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের অসহযোগিতারও।

চালের দামের উর্ধ্বগতিতে বরাবরই অভিযোগের তীর মিল মালিকদের ওপর। কিন্তু বাংলাদেশ অটো রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, যে পরিমাণ ধান সংগ্রহ করার কথা সে পরিমাণ সংগ্রহ করতে পারেনি মিল মালিকরা। ধানের  দাম ও সংগ্রহের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে মৌসুমী ফড়িয়ারা। তারওপর বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ কম সুদে দেশি বিদেশি ঋণ নিয়ে চালের ব্যবসায় ঢুকে পড়ায় ছোট মিল মালিকরা কুলিয়ে উঠতে পারছেন না।

এই মুহূর্তে বাজার সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকারের মজুদ বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের। সেক্ষেত্রে আমদানি করতে হবে দ্রুত। কারণ আমন মৌসুমের পর আগামী ৩ থেকে ৪ মাসে কোনো ধানের মৌসুম নেই।

সূত্রঃ সময় নিউজ

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড