1. ishtiaq@nongor.news : ইশতিয়াক করিম : ইশতিয়াক করিম
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. niloy@nongor.news : Creative Niloy : Creative Niloy
  4. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. mdashik.ullah393@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  6. raihan@nongor.news : দেলোয়ার জাহান রায়হান : দেলোয়ার জাহান রায়হান
  7. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  8. sabbir@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  10. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. srity@nongor.news : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি : সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

ভাতিজা আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে, চাচাদের কোটি টাকার জমি দখল

ইমতিয়াজুর রহমান,ভোলা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৪ জন পড়েছেন

ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভায় ভাতিজা আদালতের অস্থায়ী স্থিতিতাদেশ(নিষেধাজ্ঞা) উপেক্ষা করে চাচার কয়েক কোটি টাকার জমি দখল করা অভিযোগ উঠেছে। দখলের পর সেখানে থাকা চাচাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে পাকা বিপণিবিতান নির্মাণ করছে।  এই ঘটনায় পুলিশ কাজ বন্ধের পরিবর্তে নির্মাণে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডে চরফ্যাশন বাজারের মধ্যে। সরেজমিন দেখা যায়, ভাতিজা মো. মেহেদী হাসান রাজিব চরফ্যাশন  পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জিন্নাগড় মৌজায় (ভোলা-চরফ্যাশন সড়কের পাশে)পাকা ভবন নির্মাণ করছে। যা চরফ্যাশন বাজারের মধ্যখানে অবস্থিত।


এখানে জমির মূল্য ১৪-১৫ লাখ টাকা শতাংশ। নির্মাণাধীন ভবনে জমির পরিমান প্রায় সাড়ে ১৪ শতাংশ। দখলকৃত জমি মেপে দেখা যায়, ৩হাজার ১১(৮৬*৭৫ফুট)বর্গফুট। পুরো জমি জুড়ে এ ভবনটি নির্মাণ হচ্ছে। ওই স্থানে মেহেদীর চাচাদের পুরাতন পাঁচটি আধাপাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। সেই ঘরগুলো ভেঙে একস্থানে ইট জমা করে  রেখেছে। সেই ইট ভেঙে খোয়া(কনা) করে জমা করা হচ্ছে। একই সাথে ভবনে বালি ফেলা, ফ্লর ও পিলার নির্মাণ হচ্ছে। ওই স্থানে ছবি তুলতে গিয়ে একাধিক বহিরাগত যুবককে দেখা যায়। যারা শ্রমিকদের সরে  যেতে বলেন। জানা যায়, তারা ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডার। তাঁদের উপস্থিতিতে বিপণিবিতান নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মেহেদী।    


গত ৪ জানুয়ারী স্বাক্ষরিত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাপত্রে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অবস্থিত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম বাদি আমিরুল ইসলাম(মেহেদীর চাচা), বিবাদি মো. মেহেদী হাসান রাজিবকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, মহজর পক্ষ ও তরপছানি পক্ষকে পরবর্তী নির্দেশ অথবা নিষেধাজ্ঞার শুনানী না  হওয়া পর্যন্ত নালিশ-বিরোধীও সম্পত্তিতে স্থিতিবস্থার আদেশ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হল।  


দুই পক্ষের কাগজপত্র দেখে জানা যায়, ক্রয়সূত্রে মরহুম মৌলভী আবুল হোসেম মাষ্টার জিন্নাগড়  মৌজার (এসএ খতিয়ান নং-৪৮০, দাগ নং ১২৮০, ১২৮৩) ২একর ৫১ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে ওই জমির মালিক হন স্ত্রী, বাবা-মা, ৬ পুত্র ও ১১মেয়ে। এর কিছু দিন পরে ছয় ভাইয়ের একভাই মারা যায়। পাঁচ ভাই মোট জমি পায় প্রায় ৭৫শতাংশ। কিন্তু ছোট ভাই মো. রফিকুল ইসলামের  ছেলে মেহেদী হাসান রাজিব একাই ৭৩ শতাংশ দাবি করছে। এ নিয়েই মামলা চলমান। আদালতের স্থিতিতাদেশ মানছে না। 


ভাতিজা মেহেদী হাসান রাজিব বলেন,সে এবং তাঁর বাবা ওয়ারিশদের নিকট কিছু জমি কিনে নেওয়ার পরে ৭৩ শতাংশের মালিক হয়েছে। সে বাড়তি কোনো জমির দখলে নেই। আদালত যে জমির ওপর স্থিতিতাদেশ (নিষেধাজ্ঞা) দিয়েছেন, নির্মাণাধীন ভবন সে জমির ওপর নয়। 


পরিবারের ৪ নম্বর ভাই মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ওয়ারিশদের জমির ওপর তাঁদের ভাইদের হক। ভাতিজার কোনো হক নেই। এ কারণে ভাইয়েরা ওয়ারিশদের জমি ক্রয়ের জন্য আদালতে টাকা জমা দিয়েছেন। ওই জমির পরিমান প্রায় ৬০শতাংশ। আদালতে মিমাংসা না দিতেই এবং অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরেও মেহেদী হাসান চাচাদের দখলে থাকা ঘর ভেঙে দখল নিয়ে ভবন নির্মাণ করেছে। ওয়ারিশরা জমি পাবে সকল দাগে। কিন্তু মেহেদী হাসান, সড়কের পাশে, বাজারের মধ্যের জমি দখল করেছে।


 আমিনুল ইসলাম ও তাঁর ভাইয়েরা জানান, আদালতের মিমাংসা না আসার আগেই মেহেদী সরিকদের নিকট থেকে কেনা জমির ১০শতাংশ জমি উপজেলার আওয়ামী লীগের একনেতার কাছে বিক্রি করেছে। এ কারণে সকলে মেহেদীর অন্যায়কে পুলিশ সমর্থন করছে।


চরফ্যাশন পৌর সভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্তার হোসেন সামু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই ভাতিজা মেহেদী হাসান রাজিব এ বিপণিবিতান নির্মাণ করছে। পৌরসভার মেয়রসহ তাঁদের বিবাদমান সমস্যাটি মিমাংসা করতে বসেছিলেন। কিন্তু এই  রাজীবের  কারণে সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে তাঁরা আদালতের সরনাপন্ন হয়েছেন।


চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মনির হোসেন মিয়া বলেন, ওই জমিতে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আছে সত্য, কিন্তু ওসির প্রতি কোনো নির্দেশ নেই। বিষয়টি তিনি পুলিশ সুপারকে জানিয়েছেন। এখানে তিনি কাউকেই সহায়তা করেননি। বরং অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানান।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড