1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
অতিথি পাখির কোলাহলে মুখরিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

অতিথি পাখির কোলাহলে মুখরিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৮ জন পড়েছেন

কয়েক হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আসা অতিথি পাখির কোলাহলে মুখরিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।সারা বছর পাখিদের আনাগোনা থাকলেও শীতের শুরুতেই যেনো রাজশাহী মেডিকেল ঢেকে যায় অতিথি পাখিতে।

শুরু হয় চারিদিকে পাখির কিচিরমিচির ডাক। এখানে প্রতিদিন ভোরে রোগী ও স্বজনদের ঘুম ভাঙ্গে পাখিদের কিচিমিচির মিষ্টি ডাকে। আবার সন্ধ্যা নামে নীড়ে ফেরার কলতানে। নয়নাভিরাম এসব পাখির মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য। দেশি-বিদেশি নানা জাতের এসব পাখির ভিড়ে হাসপাতাল যেন পাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়ে আছে।

নানা রকমের পাখিতে মুখরিত রামেক এ যেন প্রকৃতির সব রুপে রুপান্তরিত থাকে বছর জুড়ে। সন্ধ্যা নামলে পাখির ডাকের হাট বসে যায় সারা মেডিকেল জুড়ে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের ভিতরে রয়েছে নানা রকমে গাছ-পালা। আর সেই গাছগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে পাখিরা।  রাত-দিন তাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখোরিত হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। শীতের শুরু থেকেই গাছে গাছে ভিড় করে নানা প্রজাতির পাখি।

পাখি- প্রকৃতি আর মানুষের কলাহলে যেন এখানে মিলে-মিশে একাকার। রামেক শিক্ষার্থী সয়োনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শীতকালে বা অন্য ঋতুতেও এখানে সব সময় পাখি থাকে। সকাল, দুপুর আর সন্ধায় তাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত থাকে হাসপাতাল।

ফারহান রাজু নামের এক রোগীর সঙ্গে বললে তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি আছি হাসপাতালে। তারপর থেকে আমি শুনছি পাখিদের ডাক। আমার ভালো লাগে পাখিদের এই কিচিরমিচির শব্দ। প্রথম প্রথম সন্ধা বেলায় একটু বিরক্ত লাগতো পাখির ডাক শুনতে তার কারণ সন্ধায় পাখির ডাকে একটা বিষন্নতা লুকিয়ে থাকে।

তবে এখন যেন সময় কাটে পাখিদের দেখে আর কিচিরমিচির শব্দে। অনেক পাখির কিচিরমিচির শব্দ পায় চটক, বক পাখি, মাঠ চড়াই, কসাই পাখি ও আরো অনেক পাখি কোকিল, কালো ফিঙ্গে, শ্যামা পেঁচা, বাবুই আর কাক তো সারাবছর ধরে থাকে। আমি সকালেবেলায় দেখি সারা গাছে পাখিতে ভরে গেছে।

হাসপাতালের গেইটের দারোয়ানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে পাখি শিকার করতে দেয়া হয় না। এখানের কেউ নিজেরাও শিকার করে না। পাখিরা তাই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে নিজেদের মতো করে এখানে ঘুরে বেড়ায় ও চড়ে বেড়ায়।

আরো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছু কিছু পাখি অতিথি হয়ে এসে বসেছে হাসপাতালের গাছে। আগে কারাগার এলাকার গাছে থাকতো। তবে গাছগুলো কেটে ফেলায় তারা আশ্রয় নেয় মেডিকেলের গাছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড