1. khulna@nongor.news : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  2. news-desk@nongor.news : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  3. nisan@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  4. mdashik.ullah393@gmail.com : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  5. rabbi@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. sultanashaila75@gmail.com : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  7. sakia@nongor.news : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  8. ronia3874@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sarowar@nongor.news : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
রাজশাহীর অন্যতম বিনোদন স্থান পদ্মার চর
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীর অন্যতম বিনোদন স্থান পদ্মার চর

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১৯ জন পড়েছেন

পদ্মার উত্তাল ঢেউ হারিয়ে বুক চিরে জেগে উঠেছে চর।ধূ-ধূ বালুচর হয়ে উঠেছে পদ্মার গর্ভের বিস্তির্ণ এলাকা। পদ্মার চরে দল বেধে ঘুরে বেরাচ্ছেন বিনোদন পিপাসুরা।

কেউ পরিবার নিয়ে,কেউ বন্ধু বান্ধুব এবং কেউ প্রিয় মানুষটার সাথে নদীর চর উপভোগ করতে আসছেন।শাহানা আক্তার ও মুংলু মিয়া দম্পতির সাথে কথা বললে তারা বলেন,পদ্মার চর একটা বিশাল বিনোদন কেন্দ্র।

এখানে আসলে যে কারোর মন ভালো হয়ে যাবে।সপ্তাহে ছয় দিন অফিস করার পর ক্লান্ত হয়ে পরি।শুক্রবারে এখানে এসে দুজন সময় কাটায় এবং সূর্যাস্ত দেখি। মনে হয় সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।বন্ধুদের সাথে ঘুরতে আসা এক তরুনী নিতু বলেন, পদ্মার চর তার খুব প্রিয় একটা জায়গা।বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে এবং প্রাকৃতিক সোন্দর্য উপভোগ করার জন্য প্রায় পদ্মার চরে আসা হয়।

এক তরুন মনিরুল বলেন, পদ্মার চর তার বেশ ভালো লাগে,ধূধূ বালুচর তার পর নদীর পানি,ধূ ধূ বালু চর সবাইকে বেশ আকৃস্ট করে তুলে।এখানে আসলে যেনো শান্তিতে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারেন তিনি।

টাঙ্গাইল থেকে রাজশাহীতে এক আত্নীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন আজমেরি ও তুহিন আহমেদ দম্পতি।তারা বলেন,আগের বছর এই সময় তারা পদ্মার চরে এসেছিলেন।এবার পদ্মার চর তাদের বেশ ভালো লেগেছে।সন্ধায় পদ্মার পাড়ে তারা অনেকটা সময় কাটিয়েছেন গত দিনও।

নদীর মাঝে এই বিনোদন যেনো সবাইকে আনন্দে মাতিয়ে তুলেছে।শুধু বালুচর উপভগের পরও রয়েছে নৌকা ভ্রমনের সুযোগ।

পদ্মা নদীর এক মাঝি ইবরাহীম আলী বলেন,এ সময় চরে অনেক দর্শনার্থী হয়  এবং অনেকে নৌকা ভ্রমন করেন।যার কারনে মাঝিদেরও কম বেশি ইনকাম হয় এবং দর্শনার্থীদের নৌকা ভ্রমনের আনন্দ নিয়ে নিজেরাও অনেক আনন্দ পান।

এছাড়াও পদ্মার চরে রয়েছে নানা রকম খাবার ব্যবস্থা। চটপটি, ফুচকা,নানান রকম আচার।দর্শনার্থীরা ইচ্ছা করলেই চর ঘোরার সাথে এবং নৌকা ভ্রমনের সাথে খাওয়া দাওয়াও করতে পারেন।

চটপটি বিক্রেতা রাজু বলেন,নদীতে চর থাকলে তাদের বেচা কেনা খুব ভালো হয়। কারন চরে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে প্রিয় মানুষদের সাথে আর তখন তারা তাদের প্রিয় মানুষদের সাথে অনেক আনন্দের সাথে ফুচকা,চটপটি খাই।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড