ঘরে ঢুকে এনজিও কর্মীকে দল বেঁধে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ

26

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দল বেঁধে এক এনজিও কর্মীকে (২৫) ধর্ষণ ও সেই ঘটনার ভিডিওচিত্র ধারণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শনিবার রাতের ঘটনায় পরের দিন রোববার বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে ফকিরহাট মডেল থানায় চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, ওই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রোববার বিকেলে মামুন শেখ (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি পেশায় রিকশাচালক। তাঁর কাছ থেকে ধর্ষণের সময় ধারণ করা একটি ভিডিও উদ্ধার করা হয়। বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাড়ি খুলনার দৌলতপুরে। তিনি ফকিরহাট উপজেলায় একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) কাজ করেন।

মামলার এজাহারের কথা উল্লেখ করে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ন ম খায়রুল আনাম বলেন, শনিবার রাতে একদল যুবক ওই নারীর ভাড়া ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন। তিনি দরজা খুলে দিলে তাঁরা ঘরে ঢুকে বলতে থাকেন, এক প্রতিবেশীর সঙ্গে তাঁর অনৈতিক সম্পর্ক আছে। এরপর তাঁরা ওই নারীকে দল বেঁধে ধর্ষণ করেন। ওই সময় তাঁরা ধর্ষণের ভিডিওচিত্রও ধারণ করেন। এই মামলার অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে ওসি জানান। বিজ্ঞাপন

মন্তব্য পড়ুন ০বিজ্ঞাপন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ১৪ মিনিট আগেচুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে৩১ মিনিট আগেখুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড৪৪ মিনিট আগেঅস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রায় ১ ঘন্টা আগে

ঘরে ঢুকে এনজিও কর্মীকে দল বেঁধে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ

প্রতিনিধি

প্রতিনিধিদিনাজপুরপ্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৪৫অ+অ-

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, আবার কখনো গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয় দেন। এভাবে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ হাতিয়ে নেন। রোববার তাঁরা মুঠোফোনে ডিবি পরিচয় দিয়ে এক কৃষককে ভয়ভীতি দেখান। রাতে ওই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তাঁরা ওই দুজনকে আটকে রাখেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনা দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ফেরুসাডাঙ্গা এলাকার। গ্রেপ্তার দুজন হলেন নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কয়নিজ পাড়া এলাকার আকাশাত দৌল্লা (৪৫) ও মুনশিপাড়া এলাকার এম এ বাশার বিপুল (৪২)। ফেরুসাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন বাদী হয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওই দুজনের বিরুদ্ধে চিরিরবন্দর থানায় মামলা করেছেন

চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, গ্রেপ্তার দুজন সাংবাদিক, পুলিশসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন। আবুল হোসেনের কাছে পুলিশ পরিচয় দিয়ে মুঠোফোনে ওই দুজন চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদার টাকা নিতে আবুলের বাড়িতে যান তাঁরা। তাঁদের আচরণ সন্দেহজনক হলে এলাকাবাসী তাঁদের আটকে রাখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের আটক করে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে চিরিরবন্দর থানায় চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞাপন

মন্তব্য পড়ুন ০বিজ্ঞাপন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ১৫ মিনিট আগেচুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে৩১ মিনিট আগেখুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড৪৪ মিনিট আগেঅস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রায় ১ ঘন্টা আগে

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ

মোংলা বন্দর

চুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে

  • পণ্য খোয়া যাওয়ার ঘটনায় কোনো মামলা করেনি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ
  • কনটেইনারে পণ্য থাকার কথা ৩২,৯১৩ কেজি, ছিল ৬,১৪০ কেজি
শেখ সাবিহা আলম

শেখ সাবিহা আলমঢাকাপ্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২০, ১৫:২৯অ+অ-

চীনের ওয়াইফ্যাং জিনশেং ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে কাপড় আনার চুক্তি করেছিল আজিজ অ্যান্ড সন্স। পণ্য কনটেইনারে তুলে বারকোড দেওয়া তালা ঝুলিয়ে ছবিও পাঠিয়েছিল ওয়াইফ্যাং। কিন্তু মোংলা বন্দরে পণ্য খালাসের প্রস্তুতির সময় দেখা গেল তালা বদলে গেছে, খোয়া গেছে আমদানি করা পণ্যের বড় অংশ।

প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের পণ্য খুইয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পড়েছে বিপদে। তাদের সমস্যার সমাধান কে করবে, তা–ও বুঝতে পারছেন না এই আমদানিকারক।বিজ্ঞাপন

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আমদানিকারক রাসেল রহমানের দাবি, ইসলামপুরে তাঁর প্রতিষ্ঠান আজিজ অ্যান্ড সন্স থেকে ১৫০ মিটার দূরের একটি কাপড়ের গুদামে তাঁর খোয়া যাওয়া পণ্য ছিল। সেখান থেকে বিক্রিও হচ্ছিল। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পণ্যগুলো জব্দও করে। গ্রেপ্তার করে দুই ব্যবসায়ীকে। গ্রেপ্তার দুজন পুলিশকে জানান, চট্টগ্রামের টেরিবাজার থেকে এ পণ্য কিনে এনেছেন তাঁরা। মোংলা বন্দর থেকে এ পণ্য খোয়া গেছে কি না, সে সম্পর্কে তাঁরা জানেন না।

ঘটনার পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ মামলাও করেনি। মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে মোংলা বন্দরের সংরক্ষিত এলাকায়। এটি দেখভালের দায়িত্ব মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ এবং মোংলা কাস্টম হাউসের। তারা পুলিশকে কিছুই জানায়নি, মামলাও করেনি।বিজ্ঞাপন

আজিজ অ্যান্ড সন্সের কর্ণধার রাসেল রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ডিসেম্বরে চীনা প্রতিষ্ঠান ৩১ হাজার ৯১৩ কেজি ফেব্রিকস পাঠায়। জাহাজে কনটেইনারে ওঠানোর পর বারকোড দেওয়া যে তালা লাগানো হয়েছিল, সেই বারকোডও নিয়ম অনুযায়ী মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে পণ্য ছাড় করা হয়নি। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে ওখানেই
রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর পণ্য খালাসের সময় কাস্টমস ও বন্দরের নিয়ম অনুযায়ী কনটেইনার ওজন করা হলে ৩১ হাজার ৯১৩ কেজির বদলে পাওয়া যায় ৬ হাজার ১৪০ কেজি পণ্য।

ঘটনায় শুল্ক বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মো. শামসুল আরেফিন গত ২ সেপ্টেম্বর পণ্য চালানের যৌথ কায়িক পরীক্ষার জন্য আট সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন। তাঁরা কনটেইনারের সিল কেটে ভেতরে থাকা পণ্যের কায়িক পরীক্ষা ও সার্ভেয়ারকে দিয়ে সার্ভে করা হয়। সার্ভেতে ৬ হাজার ১৪০ কেজি কাপড় পাওয়া যায়। আট সদস্যের ওই কমিটির সদস্য রাজস্ব কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তালাটা দেখেই আমাদের সন্দেহ হয়। তাই আমরা আর কনটেইনার না খুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। পরে ওজন করে মালও কম পাওয়া যায়।’

ইসলামপুর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো শামসুল হক সাবজাল প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর সামনেই কাপড় উদ্ধার করা হয়। তিনি শুনেছেন, ওই কাপড় ইসলামপুরেরই এক ব্যবসায়ীর।বিজ্ঞাপন

মোংলা বন্দরের উপব্যবস্থাপক (ট্রাফিক) মো. সোহাগ প্রথম আলোকে বলেন, অনেক সময় এক পণ্যের ঘোষণা দিয়ে আমদানিকারকেরা অন্য পণ্য নিয়ে আসেন, তারপর ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তবে আজিজ অ্যান্ড সন্স একই কাজ করেছে কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

ঢাকার ইসলামপুর ব্যবসায়ী সমিতির কয়েকজন সদস্য বলেন, তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের লাইসেন্স ব্যবহার করে অনেকেই শুল্ক ছাড়া কাপড় আনেন বিদেশ থেকে। পণ্য খোয়া গেলেও কেউ কোনো উচ্চবাচ৵ করেন না। কিন্তু এবার সত্যিকারের আমদানিকারকের জিনিসপত্র খোয়া গেছে বলে বিষয়টি সামনে এসেছে। তাঁদের ধারণা, এটা কোনো একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এই সিন্ডিকেট হয়তো মোংলা ও চট্টগ্রাম দুই জায়গাতেই সক্রিয়। সে কারণেই মোংলার খোয়া যাওয়া পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে চট্টগ্রামের টেরিবাজারে। ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে কাপড় এনে অনেক ব্যবসায়ী অল্প দামে বিক্রি করেন।

(প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন মোংলা প্রতিনিধি সুমেল সারাফাত)

মন্তব্য পড়ুন ০বিজ্ঞাপন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ১৫ মিনিট আগেচুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে৩১ মিনিট আগেখুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড৪৪ মিনিট আগেঅস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রায় ১ ঘন্টা আগে

চুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে

খুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদকখুলনাপ্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২০, ১৫:১৫অ+অ-

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামের গৃহবধূ টুম্পা মণ্ডল হত্যা মামলায় তাঁর স্বামীসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন একজন। সোমবার দুপুরে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী ওই রায় ঘোষণা করেন। মামলার আরেকটি ধারায় আসামিদের ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন প্রসেনজিৎ গাইন, বিপ্লব কান্তি মণ্ডল ও অনিমেষ গাইন। এর মধ্যে প্রসেনজিৎ গাইন ওই গৃহবধূর স্বামী। তিনি ও বিপ্লব বর্তমানে পলাতক আছেন। মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন প্রসেনজিৎ গাইনের ভাই সুদাশ গাইন।

ওই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এনামুল হক বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর ডুমুরিয়ার বাদুড়গাছা গ্রামের ঘ্যাংরাইল নদীতে চুবিয়ে টুম্পাকে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ৯ অক্টোবর নদী থেকে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরের দিন টুম্পার ভাই সমিত মণ্ডল বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক কেরামত আলী ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এ মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিজ্ঞাপন

মন্তব্য পড়ুন ০বিজ্ঞাপন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ১৫ মিনিট আগেচুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে৩১ মিনিট আগেখুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড৪৪ মিনিট আগেঅস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রায় ১ ঘন্টা আগে

খুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

অস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকাপ্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২০, ১৫:১১অ+অ-

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তাঁর স্বামীকে সর্বোচ্চ ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগরের ১ নম্বর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এই রায় দেন।বিজ্ঞাপন

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯-এর ‘এ’ ধারায় দুজনকে ২০ বছর করে এবং ১৯-এর ‘এফ’ ধারায় দুজনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুটি ধারার সাজা একত্রে কার্যকর হবে।

রায়ে আদালত বলেছেন, আসামিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাঁদের সজ্জন রাজনৈতিক নেতা বলা যায় না। তাঁদের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ৫৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। আরও পাওয়া যায় বিদেশি পিস্তল।

রায় ঘোষণা উপলক্ষে পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।বিজ্ঞাপন

গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চাওয়া হয়েছিল।

গত ২৩ আগস্ট পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুরের বিরুদ্ধে এই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকার বিমানবন্দর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।বিজ্ঞাপন

রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে পাপিয়ার বুকিং দেওয়া বিলাসবহুল প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট রুম ও ইন্দিরা রোডের ফ্ল্যাট থেকে বিদেশি একটি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, পিস্তলের ২০টি গুলি, ৫ বোতল দামি বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, কিছু বিদেশি মুদ্রা, এটিএম কার্ড প্রভৃতি উদ্ধার করে র‍্যাব।

র‍্যাব জানায়, পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর মালিকানায় ইন্দিরা রোডে দুটি ফ্ল্যাট, নরসিংদীতে দুটি ফ্ল্যাট, ২ কোটি টাকা দামের দুটি প্লট, তেজগাঁওয়ে এফডিসি ফটকের কাছে গাড়ির শোরুমে ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ, নরসিংদী জেলায় কেএমসি কার ওয়াশ অ্যান্ড অটো সলিউশন নামের প্রতিষ্ঠানে ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ আছে।

এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করে র‍্যাব।

পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অবৈধ পাঁচ কোটি টাকার খোঁজ পেয়ে পাপিয়া ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা করে।

পাপিয়াকে নরসিংদী যুব মহিলা লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

মন্তব্য পড়ুন ০বিজ্ঞাপন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

তাঁরা দুজন কখনো সাংবাদিক, কখনো ডিবি পুলিশ১৫ মিনিট আগেচুরির পণ্য ইসলামপুরের গুদামে৩১ মিনিট আগেখুলনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড৪৪ মিনিট আগেঅস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ডপ্রায় ১ ঘন্টা আগে

অস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছর করে কারাদণ্ড

ভাতিজাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবি চাচার

প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ভাতিজাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবি করেছেন চাচা। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভাতিজাকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে চাচাকে। গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে পাঠানো ওই চাচার নাম সম্রাট হোসেন (২০)। তিনি উপজেলার জয়শিং গ্রামের মিন্টু মণ্ডলের ছেলে। আর উদ্ধার হওয়া ওই কিশোরের নাম মনিরুজ্জামান (১৬)। সে একই গ্রামের তসলিম মণ্ডলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কিশোর মনিরুজ্জামানের প্রতিবেশী চাচা হলেন সম্রাট হোসেন। গত শনিবার বিকেলে মোটরসাইকেলে তুলে ভাতিজাকে উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের সোনাহাটা বাজারে বেড়াতে নিয়ে যান সম্রাট। মোটরসাইকেলে ঘুরতে ঘুরতে মনিরুজ্জামানকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকার ফাঁকা মাঠে নিয়ে যান তিনি। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন সম্রাটের মামাতো ভাই রাঙ্গামাটি গ্রামের জাকারিয়া (২২) ও রুহুল (২০)। সন্ধ্যায় মনিরুজ্জামানের মুঠোফোন থেকে তাঁর বাবাকে ফোন করে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তাঁরা। সেই সঙ্গে দুই ঘণ্টার মধ্যে আরও দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। বিজ্ঞাপন

পরে পুলিশ ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সম্রাট হোসেনকে আটক করে। এ ঘটনায় রোববার রাতে মুনিরুজ্জামানের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে সেই মামলায় সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট হোসেন বলেন, ‘আমি মনিরুজ্জামানকে নিয়ে ছবি তুলতে এসেছিলাম। এ খবর পেয়ে জাকারিয়া ও রুহুল এসে আমাদের দুজনকে আটকে রেখে মনিরুজ্জামানের বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। তারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে, তা আমার জানা ছিল না।’

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার বর্মণ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে কিশোরকে আটক রেখে মুক্তিপণ দাবির ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।