1. [email protected] : জাহিদ হাসান দিপু : জাহিদ হাসান দিপু
  2. [email protected] : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা : মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, খুলনা
  3. [email protected] : বার্তা ডেস্ক : বার্তা ডেস্ক
  4. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  5. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  6. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  7. [email protected] : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত : আল-আসিফ ইলাহী রিফাত
  8. [email protected] : Shaila Sultana : Shaila Sultana
  9. [email protected] : দৈনিক নোঙর ডেস্ক : দৈনিক নোঙর ডেস্ক
  10. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  11. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
খাঁচার পাখি ও অবমুক্ত পাখি
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

খাঁচার পাখি ও অবমুক্ত পাখি

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১০৬১ জন পড়েছেন

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনেক প্রজাতির দেশি পাখি বিলুপ্তির পথে। কমে গেছে অতিথি পাখির আনাগোনাও।

“ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ ন্যাচার” এর সার্ভে তে রেড লিস্টে উঠে এসেছে আরো কিছু পাখি যেগুলো খুব অল্প সময় আগেও গ্রামেগঞ্জে দেখা যেতো। কিন্তু এখন সেগুলো মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন যার ভেতর আছে; দোয়েল, কাঠঠোকরা, টুনটুনি, বুলবুলি, মাছরাঙা ও ফিঙ্গে।

কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৭৩ তম জন্মদিনে দেখা যায় ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশনের মেয়র ৭৩ টি পাখি অবমুক্ত করেন। যদিও সেই পাখিগুলো বাজরিগার যা মুলত খাচার পাখি এবং বাংলাদেশের বন্য পরিবেশে বেচে থাকতে সক্ষম নয়।

এদিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশে মুলত দুই ধরনের পাখি আছে।
১.দেশি পাখি, যাদের খাচায় পালা অবৈধ।
২.খাচায় পালা বিদেশি পাখি, যারা খাচার বাইরে বন্য পরিবেশে টিকবে না।

বর্তমানে শৈখিন মানুষদের কাছে দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে খাচার পাখি বা বিদেশি পাখি। যার ভেতর আছে বাজরিগার, কোটাটিয়েল, ফিঞ্চ, কনুর ইত্যাদি।

বেশিরভাগ মানুষ এই পার্থক্য টা বুঝে না। তাই সকল স্তরে জনসচেতনতা জরুরী। বন বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবী পাখি পালক সংগঠন গুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
খাঁচার পাখির উন্নয়ন ও প্রচার প্রসারে বর্তমানে কাজ করছে বেশ কয়েকটি সংগঠন, যার ভেতর উল্লেখ্য এভিয়ান কমিউনিটি অফ বাংলাদেশ।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাখি পালন ও রক্ষায় বেশ ভালো সারা জাগাতে পেরেছে সংগঠনটি। গত বছর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এভিয়ান কমিউনিটি আয়োজন করে দেশের প্রথম পাখি প্রদর্শনী।

বন্য পাখি সংরক্ষণ এ জনসচেতনতার সাথে জরুরীভাবে বন বিভাগের কার্যক্রম বাড়াতে হবে। বন বিভাগের জনবল বাড়ানো অত্যধিজভাবে জরুরী।

বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট থাকলেও তাদের কোনো রেস্কিউ টিম নাই!

যখনই কোনো পাখি রেস্কিউ এর মত ঘটনা ঘটে, তাদের ইন্সপেক্টর আসিম মল্লিক ভাইকে কল দিয়ে বলতে হয়, ভাই আপনি যাইতে পারবেন? উনি ফ্রি থাকলে পারেন, কখনো বা পারেন না।

বন বিভাগের সাথে কাজ করার কোনো আইডেন্টিফাইং প্রুফ না থাকায় কখনো কখনো বন বিভাগের কাউকে ছাড়া রেস্কিউ এ যাওয়া ও পসিবল হয় না। ইভেন অসুস্থ পাখি বা পশু রাখার মত তাদের কোনো শেল্টার নাই!

রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার বা পুনর্বাসন কেন্দ্রও নাই। তাই যে পাখিটা ছোট থেকে মানুষের কাছে বড় হয়েছে তাকে পুনরায় একটা বন্য পরিবেশে রেখে তারপর বনে ফেরত পাঠানোটাও তাই সম্ভব না।

পাখি ও পরিবেশ রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বনভূমি ও পশুপাখির আবাসস্থল রক্ষায় সোচ্চার হতে হবে। গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। সেই সাথে কৃষি জমিতে কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। আপনার আমার সকলের অংশগ্রহণ-ই দিতে পারে ভবিষ্যত প্রজন্মকে উপহার দিতে পারে একটি সুন্দর পরিবেশ।

লিখেছেন:-মুবাশশিরা

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২১

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সৌজন্যে : নোঙর মিডিয়া লিমিটেড